Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৬ অক্টোবর ২০২১ ই-পেপার

প্রাণপাখি বন্দি কাবাবে আর শরাবে

চিরশ্রী মজুমদার
১৪ জুন ২০২০ ০০:৪৪
ভোজন: চিনা রেস্তরাঁয় কপূর ভাইবোনেরা— ঋষি, রিমা, রণধীর ও রাজীব। ছবি: টুইটার থেকে।

ভোজন: চিনা রেস্তরাঁয় কপূর ভাইবোনেরা— ঋষি, রিমা, রণধীর ও রাজীব। ছবি: টুইটার থেকে।

ঋষি কপূর নিজেকে বলতেন ‘অ্যাক্টর অ্যান্ড ফুড ক্রিটিক’। কলকাতার ঝালমুড়ি, অনুপম খেরের বাড়ির ফুলকো রুটি, স্টুডিয়ো ক্যান্টিনের ফিশ ফ্রাই, পার্সিদের আকুরি এগ, জামা মসজিদ গলির তন্দুরি, বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের তামাম রেস্তরাঁয় খেয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ রিভিউ করতেন। অসুস্থ অবস্থাতেও বিয়েবাড়ি ছুটতেন। লকডাউন শুরুর তিন দিনের মাথায় টুইট করেছিলেন, সুরার দোকান খুলে দেওয়া উচিত! চিন্তায় পড়েছিলেন স্বজন-বান্ধবেরা। কারণ, শুধু তাঁরাই জানতেন ঋষির ক্যানসার ফিরে এসেছে। নীতু তাঁদের বলেছিলেন, পেশোয়ারের পঞ্জাবির জানপাখি আটকে থাকে রেকাবি ভরা কাবাব আর শরাবের পেয়ালায়। সেটা একেবারে বাদ দিলে সে আরও ‘বেমার’ হয়ে যাবে। তাও তো ঋষি ‘শুধরে গিয়েছেন’।

কপূর পরিবার বলে, অভিনয় নয়, তাদের প্রথম প্যাশন সুখাদ্য ও পানীয়। ‘ব্রেকফাস্টে ভাবি দুপুরে কী খাব, লাঞ্চে আলোচনা করি ডিনার কী দিয়ে করব।’ ব্যতিক্রম রাজ কপূর। তাঁর জীবনের চালিকাশক্তির প্রথমে সিনেমা, দ্বিতীয় স্থানে খাবার আর তৃতীয় নাকি নারী!

সব দোষগুণই কপূররা নিয়ে এসেছিলেন খাইবার-পাখতুনখোয়ার হাভেলি থেকে। পেশোয়ারে তাঁদের ভোলা রাম দি গলি ছিল ভোজনরসিকের তীর্থ। সেখানে পাকশালের আঁচ কখনও জুড়োত না, গরিব-দুঃখীর পাতে পড়ত তাগড়া পরোটা। কনকনে হাওয়া আর তালাওয়ের মিঠে জলের জাদুতে বাসিন্দাদের পেটে খিদে চাগাড় দিত। ঘুম ভাঙলেই তাঁরা খেতেন রুটি, শিক কাবাব কিংবা পরোটা, পায়ার ঝোল। সঙ্গে বড় ডিম ভাজা। দুপুর-রাতের গোষ্ঠীভোজ ছিল দেখার মতো। গালচের উপর আয়তাকার লম্বা চাদর। সেই দস্তরখানের উপর থালায় থালায় থইথই আলু গোস্ত, মুরগি রোস্ট, সিনা কলিজা, পোলাও। অন্তত কুড়ি জন মুখোমুখি সারিতে বসে হান্ডা চিবোচ্ছেন। শহরে ডানা ঝাপটে পাখি গেলেই পাকড়ে মশল্লা মাখানো হত। মহল্লার চায়ের দোকানেও চড়ুই ভাজা, কোয়েল, কবুতর মিলত। নানরুটি, বড়া কাবাব নিয়ে হাঁক দিয়ে যেত ফেরিওয়ালা। ফলওয়ালার ঠেলায় বরফ ঘষা আঙুর নোনা শসা ফুটি তরমুজ আখরোট পেস্তায় জন্নতের খোশবাই। আয়েশি ক্ষত্রী-বংশীয়রা ছাদ বা বারান্দা থেকে ঝোলা নামিয়ে সে সব সুখাদ্য তুলে নিতেন। কপূরদের বিখ্যাত আলসেমিও পেশোয়ারি রক্তেরই মণিমুক্তো।

Advertisement

পৃথ্বীরাজ কপূর অভিনয়ের টানে পেশোয়ার থেকে বোম্বাই আসার পর থিয়েটার-ফিল্মে অল্প সময়েই নিজের জায়গা পাকা করে নিলেন। তার পরই বোম্বাইয়ের মাতুঙ্গায় খাস পেশোয়ারটাই উপড়ে আনলেন। সেই এলাহি খানপাকুড় আর লাজবাব খাতিরদারি। দেশভাগের সময় পাকিস্তান থেকে আত্মীয়রা তাঁদের বাড়ি থাকতে এলেন। দরাজদিল পৃথ্বীরাজের কাছে কেউ যদি কাজ চাইত আর বলত সে তামিল জানে, পাপাজি তাকে বাড়িতে রেখে দিতেন। সে তাঁকে রোজ তামিল শেখাত, বাকি সময় খাওয়া আর ঘুম। এক জন পাপাজির সঙ্গে দেখা করতে এসে সেখানেই ৩৫ বছর থেকে গিয়েছিল! এ ভাবেই অন্তত চল্লিশ জনের পাত পড়ত কপূরবাড়িতে। অভিনেত্রী নাদিরা দেখেছেন, পাপাজি পপকর্নের মতো করে মুঠো ভরে ড্রাই ফ্রুটস মুখে পুরতেন, এক ঢোকে খেতেন এক বোতল মধু। টিনু আনন্দ রাতে জরুরি কাজে কপূর বাড়িতে গিয়েছেন, পৃথ্বীরাজ তাঁকে খেতে বসিয়ে দিলেন। লম্বা টেবিলের উপর অফুরন্ত চর্ব্য-চোষ্য। ফিরতি পথে টিনু তাঁর বন্ধুকে বলেছিলেন, ‘‘টেবিলের উপর থাকলে এরা আমাদেরও গিলে ফেলত!’’ বৃদ্ধ বয়সে পৃথ্বীরাজ প্রথমে ডাক্তারের বলা ডায়েট-খাবার খেতেন, পরে বাকিদের সঙ্গে বসে এ সব ভাল-মন্দেও কব্জি ডোবাতেন।

রাজ কপূরের শৈশব পেশোয়ারেই কেটেছে। তাঁকে দেখলে পাড়ার রেস্তরাঁগুলো কেচাপের শিশি সরিয়ে ফেলত। কারণ এক প্লেট চিপসের সঙ্গে তিনি এক বোতল টোম্যাটো কেচাপ ঢেলে নিতেন। বম্বেতেও কিশোর রাজকে ডরাত কাফে-মালিকরা। তিনি একটা চিকেন প্যাটি পুরো খেতেন, বাকিগুলোর ভেতরের মাংসটা খেয়ে ক্রাস্টগুলো সাজিয়ে রেখে পালাতেন।

‘আর কে ফিল্মস’ তৈরির পর কপূরদের খানাপিনা আতিথেয়তার ঐতিহ্য রাজ চরমে নিয়ে যান। হোলি, গণেশপুজো, দিওয়ালি, ক্রিসমাস, নিউ ইয়ার, মহরত, প্রিমিয়ার, বক্স অফিস সাফল্য এমন কি মেয়ের পুতুলের বিয়েতেও ভোজ লাগিয়ে দিতেন। তাঁর জন্মদিনে ট্র্যাফিক জ্যাম হয়ে যেত। কপূরদের পার্টিতে ভারতীয়, চিনে ও কন্টিনেন্টাল খাবারের আলাদা স্টল থাকত। স্কচ, জিন, শেরি-শ্যাম্পেনের আলাদা তাঁবু। পাঁচতারারও আগে ভারতে মাল্টিপল কুইজ়িন, লাইভ কাউন্টার, চপস্টিকের ব্যবহার দেখিয়েছিলেন রাজ। মেয়ে রিতুর বিয়েতে এক হপ্তা ধরে খাইয়েছিলেন। ঋষি-নীতুর বিয়ের প্রীতিভোজ চলেছিল তিন সপ্তাহ। কোন অতিথির কোন পদ কোন সুরা মনপসন্দ, এক বার দেখেই মনে রাখতেন রাজের স্ত্রী কৃষ্ণা। কপূরদের মাসিক খাতা চলত চিনে রেস্তরাঁ ‘কামলিং’, ‘চায়না গার্ডেন’ আর পাঁচতারায়। শশী কপূর মারপিট করে এলে শাম্মি তাকে এক থাপ্পড় মারতেন, তার পর ভাইকে ‘নানকিং’-এ চাইনিজ় খাওয়াতে নিয়ে যেতেন।



পার্টিতে মুকেশের সঙ্গে পানরত রাজ কপূর। ছবি: টুইটার থেকে।

শাম্মির প্রাণ ছিল শিকার। জঙ্গলে কাঠের আগুনে তাজা মাংস ঝলসানোর আগে নুন আর ব্র্যান্ডি মাখিয়ে নিতেন। কপূর পরিবারে কৃষ্ণাজির ইয়াখনি পোলাওয়ের পরই শাম্মির জংলি রান্নার ভীষণ কদর। ঋষি কপূর স্মৃতিচারণ করেছিলেন, ‘খাদ্যরসিক শাম্মি আংকল মধ্য-ত্রিশেই নায়ক হওয়া ছেড়ে দেন। এই সময়েই আংকলের গালের চর্বি নিয়ে ফিরোজ় খান মশকরা করায় দু’জনের হাতাহাতি লেগে যায়। ডাব্বু (রণধীর) ওঁদের ছাড়ায়। একটু পরে দেখা যায়, পাশের সরাইখানায় দু’পাত্তর নিয়ে বসে দু’জনে গুলতানি করছেন!’

চল্লিশ ছুঁয়েও নায়কোচিত চেহারা ধরে রেখেছিলেন শশী। কৃতিত্ব স্ত্রী জেনিফার কেন্ডল-এর। তিনি শশীকে বাড়ির ডাব্বা ছাড়া কিছু ছুঁতে দিতেন না। কায়দা করে বলেছিলেন, ‘পার্টিতে অন্যরা যা খাচ্ছে তাই খাবে। তোমাকে ব্ল্যাক লেবেল জোগাতে লোকের কালঘাম ছুটে যায়।’ শশীর অন্য কিছু রোচে না, তাই পার্টিতে মদ্যপানই করতেন না তেমন। আশির দশকে স্ত্রীর মৃত্যুর পর রাশ আলগা হতে ভদকায় ডুবে গিয়েছিলেন। বেলা বারোটা থেকে টানা পান করতেন রোজ। দীর্ঘ চিকিৎসা করিয়ে সে যাত্রা ভাইয়ের প্রাণ বাঁচান শাম্মি কপূর। কিন্তু তত দিনে শশীর স্বাস্থ্যের অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গিয়েছে।

কপূরদের এই ইন্দ্রপুরী-সম জীবন-রোশনাইয়ের উল্টো পিঠে অনেক যন্ত্রণা, নিঝুম অন্ধকার। সমসাময়িকদের আগে নায়ক চরিত্র খুইয়ে, ওবেসিটি-ডায়াবিটিস-ক্যানসারে জীর্ণ হয়ে তাঁরা এই ইন্দ্রিয়পরায়ণতার দাম মিটিয়েছেন। অ্যালকোহলিজ়ম তাঁদের বংশের অভিশাপ। নার্গিস যখন রাজ কপূরকে ক্রমাগত বিয়ের কথা বলে ক্লান্ত, তখনই এক পার্টিতে রাজকে দেখে তাঁর হঠাৎ চৈতন্য হয়: ‘ম্যায়নে ইস গণপতি সে ইশক কিয়া!’ কয়েক দিনের মধ্যেই আর কে ফিল্মস ছেড়ে যান তিনি। নার্গিস-উত্তর রাজের সিনেমার প্রকৃতি ও ব্যক্তিগত জীবন দুই-ই আরও বিতর্কিত। শুটিং শেষে তিনি পেগ নিয়ে বসলে, কেউ কাছে ঘেঁষত না। ঋষি কপূর শৈশবের স্মৃতিতে বলেছেন, ‘মাঝরাতে পাপার গাড়ির শব্দ হলেই ভাই-বোনেরা মাথা পর্যন্ত চাদর টেনে বিছানায় মিশে যেতাম। অসংলগ্ন পায়ের শব্দ আর গানের সুর এগিয়ে আসত, আমাদের বুক ধড়াস ধড়াস করত। শব্দ মিলিয়ে গেলে কান খাড়া করে শুনতাম মায়ের ঘর থেকে চেঁচামেচি আসছে কি না।’ রাখঢাকহীন কপূর-ভাইদেরও এর বেশি জানাতে আপত্তি। ঋষি বলেছিলেন, ‘ঠিক করেছিলাম আমার পরিবার এ ভাবে ভুগবে না।’

কিন্তু কপূর-জিন তাঁর কথা রাখেনি। সুরাপ্রবণতার জন্য দু’বার জীবনের খাদ ছুঁয়েছেন। প্রথম বার আশির গোড়ায়। তখন তাঁর সিনেমা ফ্লপ করছিল। বিয়ে করাই কি রোম্যান্টিক ইমেজের কাল হল, ভেবে আকুল ঋষি। শরীর-মনে শুকিয়ে যাচ্ছিলেন। সন্ধেয় পান করার পর একটু মেজাজে ফিরতেন। কিন্তু সকালে উঠলে স্নায়ুগুলো কাজ করত না। এর মধ্যে এক দিন ‘ইয়ে ওয়াদা রহা’ সিনেমার দারুণ একটা গানে উপযুক্ত অভিব্যক্তি দিতে পারেননি ভেবে গোটা দিন ছটফট করেছেন। পরের দিনই ‘প্রেমরোগ’-এর শুটিং। রাজ কপূর যখন চেঁচাচ্ছেন, ‘তোমার চোখে ইউসুফকে (দিলীপকুমার) চাই’, ঋষি সেটেই জ্ঞান হারালেন! তাঁকে মন-চিকিৎসক দেখাতে হয়েছিল। শেষে ‘প্রেমরোগ’ ব্লকব্লাস্টার হল আর অন্য সিনেমাটা অসফল হলেও তার সেই ‘তু হ্যায় ওহি’ গানটাই উত্তাল জনপ্রিয় হল, সুসময় ফিরল। ঋষিও ধাতস্থ হলেন।

দ্বিতীয় বিপর্যয় এসেছিল নব্বইয়ে, যখন ঋষি নায়ক চরিত্রে বেমানান হয়ে গিয়েছিলেন। সে সময়ে আকণ্ঠ পান করে নীতুকে ছেলেবেলার ইয়ার মনে করে বলতেন, কোন নায়িকাকে তাঁর বেশ লাগে! নীতু গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগে বাড়িও ছেড়েছিলেন। তখন করিশ্মার দেখাদেখি পরমাসুন্দরী ঋদ্ধিমার অভিনয়ের শখ জাগছিল। নীতু মেয়েকে বলতেন, ‘ওই কথা উচ্চারণ করলে তোমার বাবা আত্মহত্যা করবেন।’ বাবার নাম শুনলে ছোট্ট রণবীরের চোখ দিয়ে টপটপ করে জল গড়াত। কেরিয়ারের তৃতীয় পর্যায়ে ঘুরে দাঁড়ানোর পর, প্রৌঢ় ঋষি কিছুটা বদলান।

বাস্তবে ঋষি যেমন আনরোম্যান্টিক তেমনই কেপ্পন ছিলেন। নীতুকে কিচ্ছু উপহার দিতেন না। শুধু খাওয়ার কথা উঠলেই তিনি অন্য মানুষ। নীতু বলেছেন, আমেরিকার মহার্ঘতম রেস্তরাঁয় গিয়ে ডলার ওড়াতেন। কিন্তু খেয়ে ফেরার সময় অ্যাপার্টমেন্ট লাগোয়া দোকান থেকে চায়ের দুধ কিনতেন না। বলতেন, ‘আর দুটো ব্লক হেঁটে চলো। ওখানে দুধ ৩০ সেন্ট সস্তা!’

‘কপূরদের কাণ্ডকারখানা দুর্বোধ্য। আমরা বাস্তবিকই জোকার। মরতে মরতেও তামাশা দেখাই। দেখে কেউ হাসে, কেউ রাগ করে,’ বলেছেন রণধীর কপূর। ‘বংশের দস্তুর মেনে, মৃত্যুর পর পাপার আলমারি খুলেছিলাম। দেখি, দুষ্প্রাপ্য স্কচের মিউজ়িয়াম! ওই স্কচ তো দূর, পাপা তাঁর পোষা মুরগিটার ডিমও আমাদের দিতেন না। এখন রাজ কপূরের মৃত্যুবার্ষিকীতে আমরা পুজোর পর বিরিয়ানি, কনিয়াক নিয়ে বসি। রাশিয়ান নেভি থেকে স্কুইড, স্যামন মাছ পাঠায়। এ ভাবেই মৃত্যুর পরও তাঁর জীবন উদ্যাপন করি আমরা।’

এ বারেই প্রথম তাল কেটেছে। রাজ কপূরের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী ছিল গত ২ জুন। সন্ধ্যায় রণধীর বলেছেন, ‘আর কে স্টুডিয়ো বিক্রি হয়ে যাওয়ার ক্ষত ছিলই, তায় রিতু আর ঋষি এ ভাবে পর পর চলে গেল। এ সবে আমি আরও অশক্ত হয়ে পড়েছি। দেশে এত বিধিনিষেধ, এই দিনটায় ছেলেমেয়েরা সবাই জমায়েত হতে পারল কই? ওদের কাছে পরিবার, ঐতিহ্য গুরুত্বপূর্ণ ঠিকই। তবে, একটু অন্য ভাবে...’

কপূরদের চতুর্থ প্রজন্ম নাকি সত্যিই অন্য রকম। ওয়র্কআউটে, পুষ্টিবিদের পরামর্শে তাঁরা পেশোয়ারি কম, পেশাদার মুম্বইকর বেশি। তবু উৎসব-অনুষ্ঠানে তাঁরা এখনও একত্রে খানাপিনা করেন, পার্টি চলে পর দিন ব্রেকফাস্ট পর্যন্ত! বাড়ির প্রথা মেনে দু’রকম রাঁধুনি রাখার চেষ্টা করা হয়। ভারতীয় রান্নার জন্য বাবুর্চি, কন্টিনেন্টালের জন্য গোয়ান কুক।

কে জানে নতুন প্রজন্ম কপূরদের আর কোন কোন প্রথা মনে রেখেছেন! বা রাখবেন!

আরও পড়ুন

Advertisement