যেকোনও জিনিসের আগে ‘রাম’ বসানো হয় চূড়ান্ত বা সর্বোচ্চ মাত্রা বোঝাতে। যেমন রামবাণ। এমন বাণ, যার জোর সবপচেয়ে বেশি। তেমনি এই তরকারিও রামভাজি। মশলার বাড়াবাড়ি নেই। তবু স্বাদে আচ্ছা আচ্ছা তরকারিকে হার মানাতে পারে এই পাঁচমেশালি তরকারি। যা সাধারণত রামনবমীতে পুজোর ভোগে দেওয়া হয় লুচির সঙ্গে। চাইলে আপনিও রবিবারের কোনও এক সকালে ‘সাদা আলুর তরকারি’ সরিয়ে এই রান্নাটি রেঁধে ফেলতে পারেন। স্বাদ বদল তো হবেই পুষ্টিও হবে।
উপকরণ: ২ টেবিল চামচ সর্ষের তেল
১ চা চামচ জিরে
১ চা চামচ মৌরি
১ চা চামচ গোটা সর্ষে
২ টো তেজ পাতা
এক চিমটে হিং
১০টা কারিপাতা
১ টেবিল চামচ আদা কুচি
১ টেবিল চামচ লঙ্কা কুচি
২০-২৫টি চিনেবাদাম
আধ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো
১টা মাঝারি আলু ডুমো করে কাটা
৭-৮টা ফুলকপির ফুল মাঝারি মাপে কেটে নেওয়া
১৫০ গ্রাম বেগুন মোটা টুকরোয় কাটা
আধ কাপ গাজর
আধ কাপ বিনস
আধ কাপ মুলো
এক কাপ ডুমো করে কাটা কুমড়ো
এক কাপ ডুমো করে কাটা লাউ
এক কাপ বাঁধাকপি কুচি
এক কাপ পালংশাক কুচি
আধ কাপ টম্যাটো কুচি
স্বাদমতো নুন
এক চা চামচ লঙ্কাগুঁড়ো
এক চা চামচ ধনেগুঁড়ো
আধ চা চামচ গরম মশলা
আধ চা চামচ গোলমরিচ গুঁড়ো
৩ টেবিল চামচ গুড় গোলা জল
১ চা চামচ ঘি
প্রণালী:
প্যানে তেল গরম করে গোটা সর্ষে, জিরে আর মৌরী ফোড়ন দিন। তার পরে দিন তেজপাতা, হিং, কারিপাতা, আদাকুচি, লঙ্কাকুচি। সামান্য নাড়াচাড়া করে ওতে বাদাম দিয়ে দিন। তারপরে মেশান হলুদ গুঁড়ো। এক মিনিট মতো নাড়াচাড়া করুন।
এর পরে মেশান একে একে সবক’টি সব্জি, টম্যাটো এবং নুন ছড়িয়ে ঢাকা দিয়ে সেদ্ধ হতে দিন। কিছু ক্ষণ পরে দিন লঙ্কাগুঁড়ো, ধনেগুঁড়ো, গরম মশলা, গোলমরিচ এবং গুড়গোলা জল।
ভাল ভাবে নেড়ে চেড়ে আবার চাপা দিয়ে রান্না হতে দিন। সমস্ত সব্জি সেদ্ধ হয়ে এলে খুন্তি দিয়ে হালকা করে ঘেঁটে দিন। শেষে ঘি ছড়িয়ে নাড়া চাড়া করে আঁচ বন্ধ করুন।