ওজন ঝরানোর জন্য কত কসরতই না করে মানুষ ! কেউ সকালে উঠে ছুট লাগান, কেউ আবার জিমে গিয়ে ঘেমেনেয়ে একশা হন। তবে পুষ্টিবিদেরা কিন্তু সব সময় বলেন, ডায়েটের উপর নজর না দিলে কিন্তু ওজন ঝরানো মুশকিল। যতই শরীরচর্চা করুন না কেন, তার পাশাপাশি খাওয়াদাওয়ায় লাগাম না টানলে মেদ ঝরবে না কখনওই। গরমের দিনে শরীর ঠান্ডা রাখতে রোজের ডায়েটে দই রাখার কথা বলেন পুষ্টিবিদেরা। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতেও কিন্তু দইয়ের জবাব নেই। সকালের জলখাবার হোক কিংবা দুপুর বা রাতের খাবার, ডায়েট মেনে কী খাওয়া যায়, সেই ভেবে নাজেহাল হন অনেকেই। সে ক্ষেত্রে মুশকিল আসান করতে পারেন এক বাটি রায়তা দিয়ে। দুপুরে খাওয়ারর পর একই স্বাদের রায়তা রোজ খেতে ভাল না-ও লাগতে পারে। জেনে নিন, তিন রকম রায়দার সহজ রেসিপি।
ঢেঁড়সের রায়তা: প্রথমে ঢেঁড়সগুলি মিহি করে কুচিয়ে নিন। এ বার তেল গরম করে কেটে রাখা ঢেঁড়সগুলি নুন দিয়ে কড়া করে ভেজে নিন। এ বার টক দই ভাল করে করে ভেটিয়ে নিন। টক দইয়ের সঙ্গে ভাজা জিরের গুঁড়ো, বিটনুন, গোলমরিচের গুঁড়ো, লাল লঙ্কার গুঁড়ো, ধনেপাতাকুচি আর ভাজা ঢেঁড়সকুচি ভাল করে মিশিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে রায়তা।
সব্জি রায়তা: একটি কড়াইয়ে সাদা তেল গরম করে তাতে কালো সর্ষে, জিরে আর কারিপাতা ফোড়ন দিন। এ বার তাতে একে একে পেঁয়াজকুচি, কাঁচালঙ্কাকুচি, টম্যাটোকুচি, ক্যাপসিকামকুচি আর নুন দিয়ে ভাল করে ভেজে নিন। খুব লালচে করার প্রয়োজন নেই। দই ফেটিয়ে তার মধ্যে চাটমশলা, গোলমরিচগুঁড়ো, বিটনুন, ভাজা জিরের গুঁড়ো আর ভাজা সব্জি দিয়ে খুব ভাল করে মিশিয়ে নিন।
লাউয়ের রায়তা: লাউ ছোট ছোট করে টুকরো করে নিন। কুকারে লাউয়ের টুকরোগুলিকে নুন আর জল দিয়ে ভাল করে সেদ্ধ করে নিন। এ বার সেদ্ধ করা লাউ থেকে জল ঝরিয়ে নিন। এ বার টক দই ফেটিয়ে নিয়ে তার সঙ্গে বিটনুন, গোলমরিচের গুঁড়ো, জিরে, শুকনো লঙ্কা দিয়ে তৈরি ভাজা মশলা মিশিয়ে নিন। সঙ্গে সেদ্ধ করা লাউ আর ধনেপাতাকুচি মিশিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে রায়তা।