আগামী মরসুমেও লাল-হলুদ জার্সি গায়ে খেলার সম্ভাবনা হঠাৎই উজ্জ্বল হয়ে উঠল জবি জাস্টিনের। শুক্রবার বিকেলে ক্লাব তাঁবুতে এসে ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের হাতে টোকেন তুলে দিয়ে গেলেন তিনি।  

আই লিগ চলাকালীন অভিমানে এটিকের হয়ে খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন জবি। তবে চুক্তিপত্রে সই করেননি। এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পরেই কোচ আলেসান্দ্রো মেনেন্দেস গার্সিয়া ক্লাব না ছাড়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন জবিকে। তিনি বলেছিলেন, ‘‘ইস্টবেঙ্গলে থাকলে তোমার যা উন্নতি হবে, তা অন্য কোনও ক্লাবে গেলে হবে না। আশা করি, নিজের ভবিষ্যতের কথা ভেবে ঠিক সিদ্ধান্তই নেবে।’’ ক্লাব কর্তাদের একাংশও তাঁকে আটকাতে আসরে নামেন। শুক্রবার বিকেলে জবিকে ক্লাব তাঁবুতে ডাকা হয়। দীর্ঘ ক্ষণ আলোচনার পরে ক্লাব কর্তাদের হাতে টোকেন তুলে দেন জবি। এক শীর্ষ কর্তা বললেন, ‘‘আগামী মরসুমের জন্য দল গড়ার কাজ আমরা শুরু করে দিয়েছি। প্রথম লক্ষ্য ছিল জবিকে ধরে রাখা। ও টোকেন জমা দিয়ে গিয়েছে।’’ এ দিন বিকেলে সামাদ আলি মল্লিকও এসেছিলেন ক্লাব তাঁবুতে। তাঁর সঙ্গেও আলাদা করে কথা বলেন কর্তারা। 

দুই ফুটবলারের সঙ্গে কথা বলার পরেই নিজেদের মধ্যে আলোচনায় বসেছিলেন শীর্ষ কর্তারা। চব্বিশ ঘণ্টা আগে বিনিয়োগকারী সংস্থার প্রধানের সঙ্গে বৈঠকে কী হয়েছিল, কর্মসমিতির সদস্যদের তা জানানো হয়।  এক কর্তা বললেন, ‘‘সুষ্ঠু ভাবে ক্লাব চালানোর জন্য মাঝেমধ্যেই আমরা আলোচনা করি। এ দিনও তাই হয়েছে।’’ তবে সুপার কাপ না খেলার সিদ্ধান্ত ক্লাব কর্তারা এখনও মানতে পারছেন না। ক্ষুব্ধ সমর্থকেরাও। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁরা ক্ষোভ উগরে দিয়ে লিখেছেন, ‘‘ইস্টবেঙ্গলের ইতিহাসে কখনও প্রতিযোগিতা থেকে নাম তুলে নেওয়ার ঘটনা ঘটেনি।’’