বিশ্বকাপের দামামা বেজে গিয়েছে। বিশ্বকাপে মাঠ মাতাবেন তারকা ক্রিকেটাররা। ব্যাট-বলের লড়াই দেখবে গোটা বিশ্ব। মাঠের বাইরে থেকে যাঁরা ধারাভাষ্য দেবেন, তাঁদের নামও কম আকর্ষণীয় নয়।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল বিশ্বকাপের জন্য ২৪ জন ধারাভাষ্যকারের নাম প্রকাশ করেছে। এক কথায় তারকা খচিত ধারাভাষ্যকার প্যানেল।ভারত থেকে রয়েছেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, সঞ্জয় মঞ্জরেকর ও হর্ষ ভোগলে। শ্রীলঙ্কার কুমার সঙ্গকারা, বাংলাদেশের আতহার আলি রহমান, পাকিস্তানের ওয়াসিম আক্রম, রামিজ রাজার সঙ্গে থাকবেন বিশ্বখ্যাত সব প্রাক্তন ক্রিকেটাররা। আইসিসি-র কমেন্ট্রি প্যানেলে রয়েছেন মহিলা ক্রিকেটার ঈষা গুহ, মেলানি জোনস এবং অ্যালিসন মিচেলও। এই বিশ্বকাপে ধারাভাষ্যকার হিসেবে অভিষেক ঘটতে চলেছে প্রাক্তন অজি অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্কের।

সৌরভ অবশ্য আগেও বিশ্বকাপে ধারাভাষ্য দিয়েছেন। ২০১১ সালের বিশ্বকাপে ধারাভাষ্যকার হিসেবে দেখা গিয়েছিল দেশের প্রাক্তন অধিনায়ককে। বেঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠিত ইংল্যান্ড বনাম ভারত ম্যাচে সৌরভের হাতে উঠেছিল ধারাভাষ্যকারের মাইক্রোফোন। কমেন্ট্রি বক্সে সৌরভ থাকা মানেই ম্যাচের চুলচেরা বিশ্লেষণ। খেলা কোন দিকে গড়াতে চলেছে তার আভাস অনেক আগেই দিতে পারেন সৌরভ। একটা সময়ে দাপটের সঙ্গে নিজে অধিনায়কত্ব করেছে। সেই অভিজ্ঞতা থেকে সৌরভ খুব সহজেই বুঝতে পারেন, চাপের মুখে সংশ্লিষ্ট দলের অধিনায়কের কী করা উচিত। সেগুলোও তাঁর ধারাভাষ্যে যোগ করেন মহারাজ। সৌরভের ধারাভাষ্য শুনে দর্শকরাও ম্যাচ সম্পর্কে একটা আন্দাজ করতে পারেন খুব সহজেই। ধারাভাষ্য দিতে বসে সৌরভ সতীর্থ ধারাভাষ্যকারের সঙ্গে গল্প করেন। সেই গল্পে বেরিয়ে আসে অনেক অজানা তথ্য। যেগুলো শুনে সমৃদ্ধ হন দর্শকরাও। 

আরও খবর: আইপিএলের নিক্তিতে কী অবস্থা ভারতের বিশ্বকাপ দলের? রইল মার্কশিট

আরও খবর: মইন আলির কাছে মার খেয়ে কেঁদেছিলেন কেন, মুখ খুললেন কুলদীপ

ধারাভাষ্যকার দলের সদস্য হওয়ায় উত্তেজনা বোধ করছেন ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক নাসের হুসেন। ওয়াসিম আক্রম আবার এ বারের বিশ্বকাপ ফরম্যাটের সঙ্গে ১৯৯২ সালের ফরম্যাটের মিল খুঁজে পাচ্ছেন। সে বারও রাউন্ড রবিন পদ্ধতিতে খেলা হয়েছিল। এর ফলে বিশ্বকাপ আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে বলেই মনে করেন ‘সুলতান অফ সুইং’।