ম্যাচের ১৬-১৭ ওভার দাপুটে বোলিং করেও আফগানিস্তান হেরে গেল। আর ইনিংসের শেষ তিন ওভারের ব্যাটিং-ঝড়ে শেষমেশ ম্যাচটা বের করে নিল ইংল্যান্ড। তাও বিশ্ব টি-টোয়েন্টিতে বিশ্বরেকর্ড গড়ে।
কী সেটা?
নতুন বলে বাঁ-হাতি স্পিনার দিয়ে শুরু করে কুড়ি ওভারের মধ্যে ষোলো ওভারই স্লো বোলারদের করিয়ে আমির হামজা (১-৪৫), মহম্মদ নবি (২-১৭), সামিউল্লাহ (১-২৩), রশিদ খানরা (২-১৭) ইংল্যান্ডের সাত উইকেট ফেলে দিয়েছিলেন মাত্র ৮৫-তে। কিন্তু মইন আলি (৪১ নটআউট) আর ডেভিড উইলি (২০ নটআউট) ৫৭ রান যোগ করে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অষ্টম উইকেটে সর্বোচ্চ রানের পার্টনারশিপ গড়েন। যার সৌজন্যে ইয়ন মর্গ্যানের ইংল্যান্ডও ১৪২-৭ স্কোরে বিপক্ষকে মোটামুটি একটা চ্যালেঞ্জিং টার্গেট দিতে সমর্থ হয়।
এর পর কোটলার স্পোর্টিং উইকেটে অনভিজ্ঞ আফগান ব্যাটিংকে স্বাভাবিক ভাবেই অভিজ্ঞ ইংরেজ পেস আর স্পিন বোলিং লাইন-আপ নিয়ন্ত্রিত আক্রমণে ১২৭-৯ স্কোরে আটকে রেখে তিন উইকেটে জিতে যায়। উইলি-জর্ডান-স্টোকস মিলে চার উইকেট তুললে মইন-রশিদের স্পিন জুটিরও শিকার তিনটে। এই জয়ের ফলে ইংল্যান্ড ৩ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপে দ্বিতীয় স্থানেই উঠে এল না শুধু, নেট রানরেটও (.০১৮) বেশ ভাল জায়গায় তুলে নিতে পেরেছে। সব মিলিয়ে ‘এ’ গ্রুপ থেকে সেমিফাইনালে ওঠার দৌড়ে ইংল্যান্ড এখন ভাল জায়গায়।
তবু আফগানিস্তান জয়কেও কি ধর্তব্যের মধ্যে রাখছেন। প্রশ্ন উঠলে ম্যাচের সেরা মইন আলিকে পাশে নিয়ে ইংল্যান্ড অধিনায়ক মর্গ্যান বলেন, ‘‘আমরা আজ এখানে জিততে এসেছিলাম, জিতেছি। আর জয়টার নির্যাস নিয়ে শেষ ম্যাচে শ্রীলঙ্কার মোকাবিলায় নামব। যেটা এখন আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ।’’