চলতি বছরে মাস্টার্স প্রতিযোগিতায় এখনও পর্যন্ত একটিও ম্যাচ হারেননি ইয়ানিক সিনার। ছন্দে রয়েছেন তিনি। সম্প্রতি এটিপি মাদ্রিদ মাস্টার্সের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছেন সিনার। শেষ ষোলোর ম্যাচ জিতে পিট সাম্প্রাসকে ছাপিয়ে গিয়েছেন তিনি। তাঁর সামনে এখন রয়েছেন নোভাক জোকোভিচ ও রজার ফেডেরার।
২০২৬ সালের শুরু থেকে তিনটি মাস্টার্স প্রতিযোগিতায় নেমেছেন সিনার। ইন্ডিয়ান ওয়েলস, মায়ামি ও মন্টে কার্লো। তিনটিতেই চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। মাদ্রিদ মাস্টার্সেও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথে এগোচ্ছেন তিনি। ২০২৫ সালের শেষ এটিপি প্রতিযোগিতা প্যারিস মাস্টার্সেও জিতেছিলেন সিনার। সেই প্রতিযোগিতা ধরলে টানা ষষ্ঠ মাস্টার্সে অপরাজিত তিনি।
২০২৬ সালের শুরু থেকে মাস্টার্স প্রতিযোগিতায় টানা ২০ ম্যাচ জিতেছেন সিনার। ১৯৯৪ সালে সাম্প্রাস জিতেছিলেন টানা ১৯ ম্যাচ। তাঁকে ছাপিয়ে গিয়েছেন ইটালির তারকা। বছরের শুরু থেকে মাস্টার্সে টানা ম্যাচ জয়ের রেকর্ড রয়েছে জোকোভিচের। ২০১১ সালে টানা ৩১ ও ২০১৫ সালে টানা ২৫ ম্যাচ জিতেছিলেন তিনি। তৃতীয় স্থানে রয়েছেন সিনার। যে গতিতে এগোচ্ছেন, তাতে জোকোভিচের রেকর্ডও ভেঙে ফেলতে পারেন বিশ্বের এক নম্বর পুরুষ তারকা।
আরও পড়ুন:
সব মিলিয়ে মাস্টার্সে টানা ২৫ ম্যাচ (গত বছর প্যারিস মাস্টার্স থেকে ধরলে) জিতলেন সিনার। এই তালিকাতে চার নম্বরে তিনি। শীর্ষে থাকা জোকোভিচের রয়েছে টানা ৩১ জয়। ২০১৪ সালের প্যারিস ওপেন থেকে ২০১৫ সালের কানাডা ওপেন পর্যন্ত টানা ৩০ ম্যাচ জিতেছিলেন তিনি। অর্থাৎ, প্রথম দুই স্থানে রয়েছেন ২৪ গ্র্যান্ড স্ল্যামের মালিক। তিন নম্বরে ফেডেরার। ২০০৫ সালের হ্যামবুর্গ মাস্টার্স থেকে মন্টে কার্লো ওপেন পর্যন্ত টানা ২৯ ম্যাচ জিতেছিলেন তিনি। দুই তারকার পরেই রয়েছেন সিনার।
একটি পরিসংখ্যানে অবশ্য জোকোভিচকে কয়েক দিনের মধ্যেই টপকে যেতে পারেন সিনার। এখনও পর্যন্ত পুরুষদের টেনিসে কোনও খেলোয়াড় বছরের প্রথম চারটি ওপেন জিততে পারেননি। জোকোভিচ ইন্ডিয়ান ওয়েলস, মায়ামি ও মন্টে কার্লো জিতেছিলেন। সিনার ইতিমধ্যেই সেই তিনটি প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। মাদ্রিদ মাস্টার্সে আর তিনটি ম্যাচ জিতলেই প্রথম খেলোয়াড় হিসাবে বছরের প্রথম চারটি মাস্টার্স জয়ের রেকর্ড গড়বেন তিনি।