×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

২০ জানুয়ারি ২০২১ ই-পেপার

মাঠের বাইরের এক অচেনা বিরাট কোহালির খোঁজ দিলেন অ্যাডাম জাম্পা

নিজস্ব প্রতিবেদন
কলকাতা২২ নভেম্বর ২০২০ ১৭:৪০
ব্যাঙ্গালোরের হয়ে আইপিএলে খেলার সময় এক ফ্রেমে কোহালি-জাম্পা। ছবি টুইটার থেকে নেওয়া।

ব্যাঙ্গালোরের হয়ে আইপিএলে খেলার সময় এক ফ্রেমে কোহালি-জাম্পা। ছবি টুইটার থেকে নেওয়া।

মাঠের সঙ্গে মাঠের বাইরের আকাশ-পাতাল তফাত। মাঠের মধ্যে যে আগ্রাসী বিরাট কোহালির দেখা মেলে, খেলা শেষের পর সেই তাঁকেই দেখায় একেবারে অন্য রকম। ভারত অধিনায়ক সম্পর্কে এমনই মূল্যায়ন অস্ট্রেলিয়ার লেগস্পিনার অ্যাডাম জাম্পার

২৭ নভেম্বর থেকে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজে নামছে ভারত। মুখোমুখি হতে চলেছেন কোহালি-জাম্পা। কিন্তু, তার আগে জাম্পার গলায় শোনা গিয়েছে সদ্য ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হয়ে খেলার সময়ের কথা। সিডনি মর্নিং হেরাল্ডে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অজি লেগস্পিনার জানিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে পৌঁছনোর পর হোয়াটসঅ্যাপ করে কী ভাবে তাঁকে স্বাগত জানিয়েছিলেন কোহালি।

জাম্পার কথায়, “আমি পৌঁছনোর পর প্রথম দিনেই কোহালি হোয়াটসঅ্যাপ করেছিল। আমার কাছে তখন ওর নম্বরও ছিল না। কিন্তু ও এমন ভাবে স্বাগত জানিয়ে মেসেজ করেছিল যাতে মনে হয়েছিল আমরা যেন বহু দিনের চেনা।” ঠিক কী হোয়াটসঅ্যাপ করেছিলেন কোহালি? তিনি লিখেছিলেন, ‘জ্যাম্পস, তোমায় নিরামিষ রেস্তোরাঁর ১৫ ডলারের ভাউচার পাঠালাম। এটা খুব ভাল রেস্তোরাঁ’।

Advertisement

আরও পড়ুন: ‘গাওস্কর তো মাসের পর মাস ছেলের মুখই দেখেনি’, কোহালি বিতর্কে এ বার মুখ খুললেন কপিল​

আরও পড়ুন: শুভমন গিলের সঙ্গে ছবি পোস্ট করেও ট্রোলড রবি শাস্ত্রী!​

মাঠের বাইরে বিরাট কোহালি ঠিক কেমন? জাম্পা বলেছেন, “ক্রিকেট মাঠে যেমন দেখা যায়, কোহালি কিন্তু একেবারেই তা নয়। ট্রেনিং এবং মাঠে ওকে একাগ্র দেখায়। ও প্রতিযোগিতা ভালবাসে। অন্য যে কারও মতো হারতে ঘৃণা করে। আর বাকিদের চেয়ে হয়তো এটা ও বেশি প্রকাশ করে। তবে মাঠ থেকে বেরিয়ে আসার পর ও একেবারে শান্ত। বাসে ও ইউটিউবের ক্লিপ দেখে। জোরে জোরে হাসে।”

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার পোস্ট করা এক মজার রান আউটের ভিডিয়ো দেখে কোহালির ক্রমাগত হাসির কথা এখনও মনে রয়েছে জাম্পার। তিনি বলেছেন, “ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার একটা মজার ক্লিপ দেখে ও টানা ৩ সপ্তাহ ধরে হেসেছে। ও জোকস বলতে ভালবাসে। কফি, ট্র্যাভেলিং, খাওয়া-দাওয়া নিয়ে কথা বলে। ওর সঙ্গে কথা বলতে ভাল লাগে, মজা হয়।”

Advertisement