আমিরের সঙ্গে এক দলে খেলবেন না। যে কারণে অধিনায়কের পদ ছাড়তে চেয়েছিলেন আজহার। ২০১০ এর ম্যাচ গড়াপেটায় যুক্ত থাকার দায়ে এতদিন নির্বাসিত ছিলেন মহম্মদ আমের। এতদিন পরে দলে ফিরেছেন তিনি। কিন্তু তিনি দলে থাকলে অনেকেই থাকবেন না বলে জানিয়েছিলেন। আলি ও হাফেজ প্রথমে শিবিরে যোগ দিতেই চাননি। এর পর শিবিরে যোগ দিলেও আলি অধিনায়কত্ব ছাড়তে চেয়ে পিসিবির চেয়ারম্যান শাহরিয়র খানের সঙ্গে দেখা করেন। তবে আলির পদত্যাগ গ্রহন করেননি শাহরিয়র। শেষ পর্যন্ত অধিনায়ক হিসেবে থাকছেন আজহার।
পাকিস্তান ক্রিকেট দলে সমস্যার অবশ্য শেষ নেই। একদিকে আমেরের দলে অন্তর্ভুক্তি আবার অন্যদিকে ইয়াসির শাহর ডোপিংয়ে নাম জড়িয়ে যাওয়া। সব মিলে রীতিমতো টানা-পোড়েন চলছে পিসিবির অন্দরে। এদিকে ঘরোয়া ক্রিকেটে দুরন্ত খেলে জাতীয় দলে ফিরেছেন আমের। তাঁকে আবার বাদ দেওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই। দুই বিক্ষুব্ধ ক্রিকেটারকে দল থেকে বাদ দেওয়ার হুমকি দেওয়ার পরই তাঁরা ফিরে আসেন শিবিরে। শাহরিয়র খান বলেন, ‘‘ওদের বিষয়টি আমি বুঝতে পারছি । কিন্তু আমি ওদের বুঝিয়েছি ওরা যা চাইছে সেটা সম্ভব নয়। ওরা বুঝেছে।’’ আমেরও তাঁর সতীর্থদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন।