চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে এ বারও আইপিএল খেলবেন মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। প্রতিযোগিতার সব ম্যাচে তাঁর খেলা অবশ্য নিশ্চিত নয়। সিএসকের সিইও কাশী বিশ্বনাথন জানিয়েছেন, ধোনির খেলা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন দলের কোচ এবং সাপোর্ট স্টাফেরা। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন ক্রিকেটার এবি ডিভিলিয়ার্স শর্তসাপেক্ষে ধোনিকে প্রথম একাদশ রাখতে রাজি।
ধোনির বয়স এখন ৪৪। আগের মতো পারফর্ম করতে পারেন না। উইকেট রক্ষার ক্ষিপ্রতা যেমন কমেছে, তেমনই ধার কমেছে ব্যাটিংয়ের। অভিজ্ঞতা এবং কিছুটা ফিটনেস সম্বল করে খেলে চলেছেন। গত মরসুমে ব্যাট হাতে চেন্নাইকে তেমন সাহায্য করতে পারেননি ধোনি। অধিকাংশ ম্যাচেই তাঁকে ব্যাটিং অর্ডারের ক্রমশ পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল। খুচরো রান নেওয়ার ক্ষেত্রেও আগের চেয়ে অনেক মন্থর হয়ে গিয়েছেন ধোনি। জনপ্রিয়তা অটুট থাকলেও ক্রিকেটপ্রেমীদের প্রত্যাশাপূরণ করতে পারছেন না।
সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ডিভিলিয়ার্স বলেছেন, ‘‘চেন্নাই এখন একটা ব্র্যান্ড। দলকে ব্র্যান্ড করে তোলার ক্ষেত্রে ধোনির বড় ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু ক্রিকেটার ধোনির যা পরিস্থিতি, তাতে নীচের দিকে ব্যাট করতে যাওয়ার কোনও মানে হয় না। গত বার আট-ন’নম্বরে ব্যাট করতে নেমে কিছু করতে পারেনি। আমার মতে, ধোনিকে খেলালে অন্তত পাঁচ-ছ’নম্বরে ব্যাট করতে পাঠানো উচিত। ও এখন অধিনায়ক নয়। চার থেকে ছয় নম্বরের মধ্যে নেমেও যদি রান করতে না পারে, তা হলে ধোনিকে প্রথম একাদশের বাইরে রাখা উচিত।’’
আরও পড়ুন:
একই সঙ্গে সেরা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটার বেছে নিয়েছেন ডিভিলিয়ার্স। বিরাট কোহলি, ক্রিস গেইল বা রশিদ খানকে সেরা হিসাবে বাছেননি। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, আপনার মতে সর্বকালের সেরা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটার কে? জবাবে ডিভিলিয়ার্স বলেছেন, ‘‘আমার উত্তরে বিতর্ক তৈরি হতে পারে। আমার মতে জসপ্রীত বুমরাহই সেরা। যদিও ও আমার বিরুদ্ধে বল করেনি কখনও।’’
বুমরাহকে সেরা বেছে নেওয়ার কারণ হিসাবে বলেছেন, ‘‘শুধু ধারাবাহিকতার জন্যই ও সেরা। ২০ ওভারের ক্রিকেটে যে কোনও পরিস্থিতিতে বল করতে পারে। উইকেট নিতে পারে। বিপক্ষকে চাপে ফেলতে পারে। নতুন বল, পুরনো বল, সুপার ওভার— সব জায়গায় বুমরাহ স্বচ্ছন্দ। ওর হাতে বল তুলে দিলে ও ম্যাচ জিতিয়ে দিতে পারে। তাই আমার মতে বুমরাহই সেরা।’’ উল্লেখ্য, ডিভিলিয়ার্স এবং কোহলি ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসাবে পরিচিত।