টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শুরুতে ফর্ম হারান অভিষেক শর্মা। প্রথম তিনটি ম্যাচেই আউট হয়েছিলেন শূন্য রানে। প্রথম একাদশ থেকে অভিষেককে বাদ দেওয়ার দাবি উঠতে শুরু করে। তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। যা আরও চাপে ফেলে দেয় অভিষেককে। সে সময় তাঁর পাশে ছিলেন কোচ গৌতম গম্ভীর, অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব এবং হার্দিক পাণ্ড্য। তাঁদের একটি পরামর্শ শুনেই বিশ্বকাপের শেষ দিকে রানে ফেরেন অভিষেক।
একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অভিষেক বলেছেন, ‘‘সমালোচনার সঙ্গে আমরা অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছি। তবে কখনও কখনও খারাপ তো লাগেই। ভারতে বোধহয় সমালোচনা একটু বেশিই হয়। কারণ এখানে মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশি। বিশ্বকাপে তৃতীয় বার শূন্য রানে আউট হওয়ার পর গম্ভীর স্যর, সূর্য ভাই আর হার্দিক ভাই আমার সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেন। আমায় ওরা একটাই কথা বলেছিলেন। সেটা হল, ‘ফোন থেকে এক্ষুনি সব সমাজমাধ্যমে অ্যাকাউন্ট মুছে দে।’’’
আপনি কি সব অ্যার মুছে দিয়েছিলেন? অভিষেক বলেছেন, ‘‘ওরা বলার আগেই মুছে দিয়েছিলাম। দ্বিতীয় শূন্যটা করার পরই ফোন থেকে সমাজমাধ্যমের সব অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলি। সেটা আমার উপকার করে। আসলে বহু মানুষ আমাকে নানা রকম পরামর্শ দিচ্ছিলেন। অনেক রকম মন্তব্য করা হচ্ছিল। ক্রিকেটারদের জীবন এমনই। আপনাকে নানা কথা শুনতে হবে। সমালোচনা সহ্য করতে হবে। সাধারণত আমরা এ সব নিয়ে মাথা ঘামাই না। এক কানে শুনি, অন্য কান দিয়ে বের করে দিই। মানুষের প্রত্যাশার কোনও শেষ নেই। আপনি যেমন পারফর্ম করুন না কেন, সকলের প্রত্যাশা মেটানো কঠিন।’’
আরও পড়ুন:
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অভিষেককে চেনা মেজাজে পাওয়া যায়নি। সুপার এইট পর্বে জ়িম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ৩০ বলে ৫৫ রান এবং ফাইনালে নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে ২১ বলে ৫২ রানের ইনিংস খেলা ছাড়া বলার মতো কিছু করতে পারেননি। নানা মতামত, সমালোচনায় যাতে আরও বিভ্রান্ত হয়ে না পড়েন, তা নিশ্চিত করতেই গম্ভীর-সূর্যেরা তাঁকে ফোন থাকা সব সমাজমাধ্যম অ্যাপ মুছে ফেলার পরামর্শ দিয়েছিলেন।