গত পাঁচ বছর ধরেই বাংলাদেশের কোনও ফরম্যাটের দলে সুযোগ পান না। অপেক্ষা করেও বার বার হতাশ হয়েছেন। অবশেষে অবসর নিলেন সেই জোরে বোলার রুবেল হোসেন। বিরাট কোহলির সঙ্গে ঝামেলা করে বিখ্যাত হওয়া ক্রিকেটার সমাজমাধ্যমে একটি পোস্টে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।
২০০৯-এর জানুয়ারিতে বাংলাদেশের হয়ে অভিষেক হয়েছিল রুবেলের। তার পর ১৬ বছর দেশের হয়ে বিভিন্ন ফরম্যাটে ক্রিকেট খেলেছেন। সাম্প্রতিক কালে নির্বাচকদের নজর থেকে দূরে চলে গিয়েছিলেন। ২০২১-এর এপ্রিলে শেষ বার নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে দেশের হয়ে মাঠে নেমেছিলেন রুবেল।
এক দিনের ক্রিকেটে অভিষেক ম্যাচে বাংলাদেশের প্রথম বোলার হিসাবে চার উইকেট নিয়েছিলেন। সব মিলিয়ে ১০৪টি ম্যাচে ১২৯টি উইকেট রয়েছে রুবেলের। সেরা বোলিং ৬/২৬। বাংলাদেশের এক দিনের ক্রিকেটের ইতিহাসে পঞ্চম সর্বোচ্চ উইকেট তাঁর।
রুবেল লিখেছেন, “আমি পেসার রুবেল হোসেন। আমি বাংলাদেশের হয়ে ২৭টি টেস্ট, ১০৪টি এক দিনের ম্যাচ এবং ২৮টি টি-টোয়েন্টি খেলেছি। জাতীয় দল আমার কাছে আবেগ। কিন্তু এক সময় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিতেই হয়। তাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানাচ্ছি। তবে ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলা চালিয়ে যাব। পরিবার, বন্ধুবান্ধব, সাংবাদিক এবং সমর্থকদের ধন্যবাদ। জীবনের বাকি সময়েও আপনাদের এ রকম সমর্থন আশা করে যাব।”
অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট খেলার সময় একটি ত্রিদেশীয় সিরিজ়ে কোহলির সঙ্গে ঝামেলা হয়েছিল রুবেলের। এক বার তিনি বলেছিলেন, “দক্ষিণ আফ্রিকায় ত্রিদেশীয় সিরিজ়ের একটা ম্যাচ চলছিল। কোহলি খুব স্লেজিং করছিল। আমাদের ব্যাটারদের অনেক কথা বলছিল। আমরা জানতাম কী ভাবে এর মোকাবিলা করতে হয়। কোহলির সঙ্গে ঝামেলা হয়েছিল আমার। আম্পায়ার এসে মেটান।”
আরও পড়ুন:
এর পর ২০১১ বিশ্বকাপে রুবেল ইচ্ছাকৃত ভাবে কোহলির দিকে বল ছুড়েছিলেন। কোহলিকে উত্তেজিত হয়ে বেশ কিছু কথা বলতে দেখা গিয়েছিল। ২০১৫ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে কোহলিকে আউট করার পর রুবেলের উচ্ছ্বাস প্রকাশের ধরন নিয়েও বিতর্ক হয়।