তিন দিনে ২৫৯ ওভারে ১,০২৬ রান। ওভারপিছু রান প্রায় চার। নটিংহ্যামে ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড টেস্টের উইকেট এতটাই পাটা যে, সবে মাত্র দেড় খানা ইনিংস শেষ হয়েছে। বিরাট কোনও অঘটন না ঘটলে দ্বিতীয় টেস্ট ড্রয়ের পথে। প্রথম ইনিংসে নিউজিল্যান্ডের ৫৫৩ রানের জবাবে ইংল্যান্ড তৃতীয় দিনের শেষে ৫ উইকেটে ৪৭৩ রান তুলেছে।
নিউজিল্যান্ডকে যেমন বড় রানে পৌঁছে দিয়েছিলেন ড্যারিল মিচেল এবং টম ব্লানডেল, ইংল্যান্ডের ইনিংসের দুই কাণ্ডারি জো রুট এবং অলি পোপ। কিউয়িদের জোড়া শতরানের জবাব ইংরেজরাও দেন জোড়া শতরানে। দিনের শেষে রুট ১৬৩ রানে অপরাজিত। পোপ ১৪৫ রান করে আউট হয়েছেন।
দ্বিতীয় দিনের শেষে ১ উইকেটে ৯০ রান ছিল ইংল্যান্ডের। পোপ এবং ওপেনার অ্যালেক্স লিস দলের রান ভালই এগিয়ে নিয়ে যান। দিনের ১৬ ওভারের মাথায় ৬৭ রান করে আউট হন লিস। ম্যাট হেনরির বলে প্রথম স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। বলটি স্টাম্পের থেকে অনেক দূরে ছিল। ব্যাট চালানোর লোভ সামলাতে পারেননি লিস। তাঁর ইনিংসে ১১টি চার রয়েছে। দ্বিতীয় উইকেটে ১৪১ রান যোগ হয়।
লিস আউট হতে নামেন রুট। পরের ৪২ ওভার নটিংহ্যামের মাঠ জুড়ে রুট এবং পোপের রাজত্ব। তৃতীয় উইকেটে ১৮৭ রান যোগ করেন দু’জনে। তাঁদের মধ্যে বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন রুট। তিনি ২০০ বল খেলে ১৬৩ রান করে উইকেটে রয়েছেন। তাঁর ইনিংসে ২৫টি চার রয়েছে। এটি তাঁর দ্রুততম টেস্ট শতরান।
আরও পড়ুন:
পোপ ২৩৯ বলে ১৪৫ রান করেন। তাঁর ইনিংসে ১৩টি চার, তিনটি ছয় রয়েছে। তিনিও লিসের মতো উইকেট ছুড়ে দেন। ট্রেন্ট বোল্টের বলে পুল করতে গিয়ে তাঁর শট ব্যাটের উপরের দিকে লাগে। হেনরি ফাইন লেগ থেকে দৌড়ে এসে ভাল ক্যাচ নেন। বোল্ট তাঁর পরের ওভারেই ফিরিয়ে দেন জনি বেয়ারস্টোকে। তিনি ৮ রান করে কট বিহাইন্ড হন। এর পর নামেন ইংরেজ অধিনায়ক বেন স্টোকস। তিনি আসার পরে ইংল্যান্ডের রান তোলার গতি বাড়ে। ৩৩ বলে ৪৬ রান করেন স্টোকস। তাঁর ইনিংসে ৬টি চার, ২টি ছক্কা রয়েছে। পঞ্চম উইকেটে রুট এবং স্টোকস ৬১ রান যোগ করেন মাত্র ৯ ওভারে। ব্রেসওয়েলের ফুল টস বল স্লগ স্যুইপ করতে গিয়ে ক্যাচ আউট হন স্টোকস।
রুটের সঙ্গে উইকেটে রয়েছেন বেন ফোকস। তিনি ২৪ রান করে অপরাজিত। অবিচ্ছিন্ন ষষ্ঠ উইকেটে ৬৮ রান যোগ হয়েছে।
নিউজিল্যান্ডের থেকে প্রথম ইনিংসে ৮০ রানে পিছিয়ে রয়েছে ইংল্যান্ড, হাতে ৫ উইকেট।