বৃহস্পতিবার বিজয় হজারের ম্যাচে নজর কেড়ে নিয়েছে হার্দিক পাণ্ড্যের ব্যাট। তবে আলোচনা চলছে তাঁর বোলিং নিয়েও। এ দিন হার্দিক পুরো ১০ ওভারই বল করেছেন। অথচ কিছু দিন আগেই বোর্ড এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল, হার্দিক এখনও ১০ ওভার বল করার ছাড়পত্র পাননি। এখন প্রশ্ন উঠছে, তা হলে কি বোর্ডের চিকিৎসকদের নির্দেশ ভেঙেছেন হার্দিক? না কি নিজে কতটা ফিট সেটা দেখানোর জন্যই ১০ ওভার বল করার ঝুঁকি নিলেন?
কিছু দিন আগেই নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে এক দিনের সিরিজ়ের দল ঘোষণা করা হয়। প্রত্যাশামতোই সেই দলে জায়গা পাননি হার্দিক। নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজ় এবং বিশ্বকাপের দলে থাকায় হার্দিকের উপর অতিরিক্ত চাপ দিতে চায়নি বোর্ড। বলা হয়েছিল, বোর্ডের উৎকর্ষ কেন্দ্রে থাকা চিকিৎসকদের তরফে পুরো ১০ ওভার বল করার ছাড়পত্র দেওয়া হয়নি হার্দিককে। তাই ধকল নিয়ন্ত্রণের জন্য তাঁকে এক দিনের দলে রাখা হয়নি।
অথচ এ দিন বিজয় হজারেতে চণ্ডীগড়ের বিরুদ্ধে সকলের আগে বল করতে আসেন বডোদরার হার্দিক। বিপক্ষের প্রথম উইকেটও তিনিই নেন। আউট করেন অর্জুন আজ়াদকে। দলের সফলতম বোলার তিনিই। ১০ ওভার বল করে ৬৬ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন। বডোদরার আর কেউ ১০ ওভার বল করেননি।
আরও পড়ুন:
তা হলে কি হার্দিক ১০ ওভার বল করার জন্য সুস্থ হয়ে গিয়েছেন? এখনও পর্যন্ত বোর্ডের তরফে কোনও ঘোষণা হয়নি। তা হলে কি বোর্ডের নির্দেশ পৌঁছয়নি বডোদরা দলের কাছে? নানা প্রশ্ন উঠছে। তবে বল করার সময় হার্দিককে একটুও অস্বস্তিতে দেখা যায়নি। বেশ হাসিমুখেই ১০টি ওভার করেছেন তিনি। এ দিন দল জিতলেও নেট রান রেটে বিদর্ভের থেকে পিছিয়ে থাকায় ছিটকে গিয়েছে।
তার আগে অবশ্য ব্যাট হাতে ঝড় তুলে দিয়েছিলেন অলরাউন্ডার। ১৯ বলে অর্ধশতরান করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৩১ বলে ৭৫ রান করে আউট হন। ৯টি ছয় এবং ২টি চার মারেন হার্দিক। ২৪০ স্ট্রাইক রেটে ব্যাট করেন তিনি। কিছু দিন আগে বিদর্ভের বিরুদ্ধে ৬৮ বলে শতরান করেছিলেন হার্দিক।