ভারতকে হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠতে হলে ৩৩.৩ ওভারে ২৫৩ রান করতে হত পাকিস্তানকে। কিন্তু তাদের দেখে মনে হল না, সেমিফাইনালে ওঠার কোনও ইচ্ছা রয়েছে। ৩৩.৩ ওভারে ১৬৭ রান করল তারা। ফলে ম্যাচ চলাকালীনই অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠে গেল ভারত। প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নিল পাকিস্তান।
রবিবারের ম্যাচের আগে পর্যন্ত সুবিধাজনক জায়গায় ছিল ভারত। ৩ ম্যাচে আয়ুষ মাত্রেদের পয়েন্ট ছিল ৬। সমসংখ্যক পাকিস্তানের পয়েন্ট ছিল ৪। পাকিস্তান জিতলে দু’দলের পয়েন্ট সমান হত। তখন বিবেচ্য হত নেট রান রেট। এই ম্যাচের আগে ভারতের নেট রান রেট ছিল ৩.৩৩৭। পাকিস্তানের ১.৪৮৪। তাই সেমিফাইনালে উঠতে হলে পাকিস্তানকে নেট রান রেটে টপকে যেতে হত ভারতকে।
টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তানের অধিনায়ক ইউসাফ। প্রথমে ব্যাট করার সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি ভারত। অ্যারন জর্জ (১৬), বৈভব সূর্যবংশী (৩০), মাত্রে (০), বিহান মলহোত্র (২১), অভিজ্ঞান কুন্ডুরা (১৬) প্রত্যাশা মতো খেলতে পারেননি। ৪৭ রানে ৩ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর চাপের মুখে ভাল খেললেন বেদান্ত ত্রিবেদী। ২২ গজের এক দিক আগলে রেখে করলেন ৯৮ বলে ৬৮ রান। তাঁর সঙ্গে বিহানের ৬২ রানের এবং অভিজ্ঞানের ৩৮ রানের জুটি ভারতীয় ইনিংসকে স্বস্তি দেয় কিছুটা। শেষ দিকে আরএস অম্বরীশ (২৯), কণিষ্ক চৌহান (৩৫), খিলান পটেলেরা (২১) দলকে সম্মানজনক জায়গায় পৌঁছে দেন। ভারতের ইনিংস শেষ হয় ২৫২ রানে।
আরও পড়ুন:
পাকিস্তানকে সেমিফাইনালে উঠতে হলে ৩৩.৩ ওভারের মধ্যে জয়ের রান তুলতে হত। আরও একটি সুযোগ ছিল। ৩৪.৩ বল পর্যন্ত আশা ছিল পাকিস্তানের। সে ক্ষেত্রে শেষ বলে ছয় মেরে জিততে হত। না পারলে জিতেও লাভ হত না। সেমিফাইনালে চলে যেত ভারত। সেটাই হল। পাকিস্তানের খেলা দেখে এক বারও মনে হল না, সেমিফাইনালে ওঠার কোনও ইচ্ছা তাদের রয়েছে। ভাবখানা এমন, ভারতকে হারালেই হবে। সেটাই কাল হল। সেমিফাইনালে উঠতে পারল না তারা। বিদায় নিল পাকিস্তান। শেষ পর্যন্ত ৫৮ রানে ম্যাচও হারল পাকিস্তান।