অধিনায়ক হিসাবে নিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি জয়ের জন্য আরও কয়েক দিন অপেক্ষা করতে হবে শ্রেয়স আয়ারকে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেস্তে গেল। ভারতের ইনিংস শেষ হওয়ার পর বৃষ্টির তীব্রতা বাড়ে। আর খেলা শুরু করা যায়নি। বেশ কিছু ক্ষণ অপেক্ষার পর খেলা ভেস্তে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন আম্পায়ারেরা। ফলে বাকি চার ম্যাচে হবে সিরিজ়ের ফয়সালা।
ম্যাচের আগে থেকেই ডারহামের চেস্টার-লি-স্ট্রিটে বৃষ্টির পূর্বাভাস ছিল। টসের সময়ও দেখা গিয়েছিল, আকাশে মেঘ রয়েছে। ভারতের ইনিংস চলাকালীন মাঝে মাঝে ঝিরঝিরে বৃষ্টি হলেও খেলা বন্ধ করতে হয়নি। কিন্তু ভারতের ইনিংস শেষ হওয়ার পর জোরে বৃষ্টি শুরু হয়। তাতেই খেলা ভেস্তে যায়।
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৮৯ রান করে ভারত। এই ম্যাচেও ছন্দে অভিষেক শর্মা। ২৪ বলে ৫৯ রান করেন তিনি। মাত্র ২০ বলে করেন অর্ধশতরান। ইংল্যান্ডের মাটিতে টি-টোয়েন্টিতে এটি কোনও ভারতীয় ব্যাটারের করা দ্রুততম অর্ধশতরান। ২০১৮ সালে ম্যাঞ্চেস্টারে ২৭ বলে অর্ধশতরান করেছিলেন লোকেশ রাহুল। সেই রেকর্ড ভাঙলেন অভিষেক।
আরও একটি রেকর্ড গড়েছেন ভারতীয় ওপেনার। দ্রুততম ছক্কার সেঞ্চুরি করেছেন তিনি। ৭৮৫ বলে ১০০ ছক্কা মেরেছেন তিনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের এভিন লুইস ৭৮৯ বলে ১০০ ছক্কা মেরেছিলেন। সেই রেকর্ডও ভেঙেছেন অভিষেক। ৫৯ রানের ইনিংসে ছ’টি চার ও চারটি ছক্কা মারেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।
অভিষেক ফর্মে থাকলেও আর এক ওপেনার সঞ্জু স্যামসন আবার ব্যর্থ। সাত বলে ১ রান করে আউট হন তিনি। রান পাননি ঈশান কিশনও। সম্প্রতি অভিষেককে টপকে টি-টোয়েন্টি ক্রমতালিকায় এক নম্বরে উঠেছেন তিনি। কিন্তু দ্বিতীয় বলেই ভুল বোঝাবুঝিতে শূন্য রানে রানআউট হন ঈশান।
আরও পড়ুন:
আয়ারল্যান্ডে রান না পেলেও এই ম্যাচে রানে ফিরলেন অধিনায়ক শ্রেয়স। অভিষেকের সঙ্গে মিলে ভারতের ইনিংস টানলেন তিনি। আগ্রাসী ব্যাটিং দেখা গেল দু’জনের ব্যাট থেকে। তাঁরা যত ক্ষণ ক্রিজ়ে ছিলেন মনে হচ্ছিল ভারত ২০০ রানের বেশি করবে। অর্ধশতরান করলেন শ্রেয়স। ৪৭ বলে ৬৮ রান করে আউট হলেন তিনি।
অভিষেক ও শ্রেয়সের ৩৮ বলে ৮৩ রানের জুটি যে ভিত গড়ে দিয়েছিল, তা কাজে লাগালেন শিবম দুবে। শেষ দিকে ২১ বলে ৪২ রান করলেন তিনি। তবে রান পাননি তিলক বর্মা। ১৩ রান করে আউট হন। তিন ব্যাটারের ব্যাটে ১৮৯ রান করে ভারত। এই পরিবেশে এই পিচে রান কম ছিল না। কিন্তু খেলা আর শুরুই করা গেল না। ফলে ফয়সালা হল না।