Advertisement
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
Manoj Tiwary

পরের মরসুমই শেষ, আবারও জানিয়ে দিয়ে রঞ্জি ট্রফির প্রস্তুতিতে নেমে পড়লেন মনোজ

অবসর নিয়েও তা ভেঙে ক্রিকেটে ফিরে এসেছেন মনোজ তিওয়ারি। তা বাংলাকে রঞ্জি জেতানোর জন্যই। সেই লক্ষ্য পূরণের কাজ শুরু হয়ে গেল বৃহস্পতিবার থেকেই। পরের মরসুমের রঞ্জির প্রস্তুতি শুরু করে দিলেন মনোজ।

cricket

মনোজ তিওয়ারি। — ফাইল চিত্র।

আনন্দবাজার অনলাইন ডেস্ক
কলকাতা শেষ আপডেট: ০৮ ডিসেম্বর ২০২৩ ২২:৪৪
Share: Save:

গত মরসুমে রঞ্জি ট্রফির ফাইনালে উঠেছিল বাংলা। কিন্তু শেষ ধাপ পেরোতে আরও এক বার ব্যর্থ হয়। ঘরের মাঠ, অর্থাৎ ইডেন গার্ডেন্সে বাংলাকে হারিয়ে ট্রফি নিয়ে যায় সৌরাষ্ট্র। অধিনায়ক হিসেবে দলকে অধরা রঞ্জি ট্রফি না দিতে পারার পর সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে মনোজ তিওয়ারি অবসর নিয়ে ফেলেছিলেন। কিন্তু বাংলার ক্রিকেট কর্তাদের অনুরোধে আরও এক বছর থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। অধরা সেই লক্ষ্য পূরণের কাজ শুরু হয়ে গেল। পরের মরসুমের রঞ্জির প্রস্তুতি শুরু করে দিলেন মনোজ।

ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিয়োতে তিনি স্পষ্টই জানিয়েছেন, পরের মরসুমই তাঁর শেষ। বলেছেন, “আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন। আপনারা জানেন যে এটাই আমার ক্রিকেটযাত্রার শেষ বছর। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট থেকে পরের বছরই অবসর নেব। প্রথম অনুশীলন শুরু হল আজ থেকেই। চেয়েছিলাম মাঠে গিয়ে অনুশীলন করতে। কিন্তু পরিস্থিতির কারণে ইনডোরে অনুশীলন করতে হচ্ছে।”

এর পরেই মনোজ বলেন, “যে কারণে আমি আরও একটা বছর ক্রিকেট খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি তা শুধুই বাংলার জন্য (জার্সিতে সিএবি-র লোগো দেখিয়ে)। এটা হল বাংলার লোগো। অনেক বছর হয়ে গেল বাংলা রঞ্জি ট্রফি জেতেনি। আমি চেষ্টা করব আরও এক বছর ক্রিকেট খেলে বাংলাকে রঞ্জি ট্রফি জেতানোর, যাতে বাংলার ক্রিকেটপ্রেমীরা আনন্দ পান। আজ বৃষ্টির কারণেই অনুশীলন করতে পারিনি।” বৃহস্পতিবার সারা দিনই শহর তথা গোটা রাজ্যে বৃষ্টি হয়েছে। ফলে প্রথম দিনের অনুশীলন ইনডোরেই করতে হয়েছে।

মনোজের ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে অনুশীলনের কোলাজ। সেখানে যেমন স্ট্রেচিং রয়েছে, তেমনই ব্যাট নিয়ে অনুশীলনও রয়েছে। বাংলা এখন বিজয় হজারে ট্রফি খেলতে ব্যস্ত। তা শেষ হলেই দলের সঙ্গে অনুশীলনে মনোজের নামার কথা।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
Follow us on: Save:
Advertisement

Share this article

CLOSE