আইপিএলের শুরুতেই ধাক্কা খেল চেন্নাই সুপার কিংস। সম্ভবত প্রতিযোগিতার প্রথম দু’সপ্তাহ খেলতে পারবেন না মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। তাঁর চোটের কথা আইপিএল শুরুর দিন সকালে সমাজমাধ্যমে জানিয়েছেন চেন্নাই কর্তৃপক্ষ।
ধোনি কাফ মাসলে (পায়ের পেশি) চোট পেয়েছেন। চোট সারলেও খেলার মতো অবস্থায় নেই। অভিজ্ঞ উইকেটরক্ষক-ব্যাটার এখন রিহ্যাব করছেন। মনে করা হচ্ছে, সম্পূ্র্ণ ফিট হতে তাঁর দু’সপ্তাহ মতো সময় লাগতে পারে। আগামী ১১ এপ্রিল দিল্লি ক্যাপিটালস ম্যাচ পর্যন্ত তাঁর খেলার সম্ভাবনা নেই। সে ক্ষেত্রে প্রথম চারটি ম্যাচে ধোনিকে পাবে না চেন্নাই। নতুন কোনও সমস্যা না হলে আগামী ১৪ এপ্রিল কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে প্রথম মাঠে নামতে পারেন সিএসকের প্রাক্তন অধিনায়ক। তাঁর চোট নিয়ে কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছেন না স্টিফেন ফ্লেমিংয়েরা।
ধোনি খেলতে না পারলেও চেন্নাইয়ের বড় সমস্যা হওয়ার কথা নয়। কারণ এ বারই সিএসকে কর্তৃপক্ষ দলে নিয়েছেন সঞ্জু স্যামসনকে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলের উইকেটরক্ষক-ব্যাটার ধোনির অভাব পূরণ করতে পারেন। ধোনির অনুপস্থিতি রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের দলের শক্তি বা ভারসাম্যের উপর প্রভাব না ফেললেও হতাশ হতে পারেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। মূলত ধোনির জন্যই সারা দেশে সিএসকের জনপ্রিয়তা।
ধোনিকে এ বার চেন্নাই কী ভাবে ব্যবহার করবে, তা নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই জল্পনা চলছে। একাধিক প্রাক্তন ক্রিকেটার ৪৪ বছরের ধোনিকে চেন্নাইয়ের প্রথম একাদশে না-রাখার পক্ষে মতামত দিয়েছেন। কারণ গত দু’মরসুম ধোনিকে চেনা ফর্মে দেখা যাচ্ছে না। ব্যাটিংয়ের ধার কমে গিয়েছে। শেষ দিকে নেমে দ্রুত রান তুলতে পারছেন না। ব্যাটিং অর্ডারের নীচে নামিয়ে নামিয়ে তাঁকে প্রায় লুকিয়ে রাখতে হচ্ছে। কমেছে খুচরো রান নেওয়ার গতি। উইকেটরক্ষার রিফ্লেক্সও অনেক কমেছে আগের তুলনায়। তাঁর অবসর নিয়েও নানা জল্পনা চলছে। যদিও ধোনি নিজে এ নিয়ে কখনও মুখ খোলেননি।
এ বারের আইপিএলে চেন্নাইয়ের প্রথম ম্যাচ ৩০ মার্চ রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে। দ্বিতীয় ম্যাচ ৩ এপ্রিল পঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে। চেন্নাইয়ের তৃতীয় প্রতিপক্ষ রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। এই ম্যাচ ৫ এপ্রিল। চেন্নাইয়ের চতুর্থ ম্যাচ ১১ এপ্রিল দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে।