আইপিএলে কোনও প্রভাব না পড়লেও পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের প্রভাব পাকিস্তান সুপার লিগে পড়েছে। সে দেশের বোর্ড জানিয়ে দিয়েছে, এ বারের প্রতিযোগিতা ছয় শহরের বদলে দুই শহরে হবে। তা ছাড়া দর্শকশূন্য মাঠে হবে খেলা। ২৬ মার্চ থেকে শুরু হবে এ বারের আইপিএল। ফাইনাল ৩ মে।
লাহৌর ও করাচিতে হবে পাকিস্তান সুপার লিগের সব ম্যাচ। লাহৌরে যে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল, তা-ও বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নকভি জানিয়েছেন, তাঁদের আশা, ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে পরিস্থিতি শান্ত হয়ে যাবে। সে ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতার শেষ দিকে মাঠে দর্শকদের ঢোকার অনুমতি দেওয়া হতে পারে।
নকভি জানিয়েছেন, সুরক্ষার কথা বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “সুরক্ষার দায়িত্বে থাকা সংস্থার সঙ্গে কথা বলে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সূচি মেনেই পাকিস্তান সুপার লিগ হবে। কিন্তু ৩০ হাজার দর্শকের জীবন বিপন্ন করতে পারি না। তাই যত দিন এই সমস্যা চলছে, তত দিন দর্শকশূন্য মাঠে খেলা হবে। এই সিদ্ধান্ত কঠিন ছিল। বাধ্য হয়ে আমাদের নিতে হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানও হবে না।”
আরও পড়ুন:
দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে খেলা হওয়ায় পাকিস্তান সুপার লিগের দলগুলির যে ক্ষতি হবে, তা পূরণ করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নকভি। যাঁরা ইতিমধ্যেই টিকিট কেটেছেন, তাঁদের টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। দর্শকদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন তিনি। নকভি জানিয়েছেন, যেহেতু দর্শকশূন্য মাঠে খেলা হবে, তাই ছয় শহরে প্রতিযোগিতার প্রয়োজন নেই। সেই কারণেই দুই শহরে প্রতিযোগিতা রাখা হয়েছে।