প্রথম ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে ২২০ রান তুলেও জিততে পারেনি কলকাতা নাইট রাইডার্স। জয় দিয়ে আইপিএল শুরু করতে পারেনি সানরাইজার্স হায়দরাবাদও। বৃহস্পতিবার ইডেন গার্ডেন্সে দু’দলই নামবে এ বারের প্রথম জয়ের লক্ষ্যে।
অজিঙ্ক রাহানের দলের সমস্যা বোলিং। ঈশান কিশনের দলের দুর্বলতাও একই। ম্যাচ জেতার জন্য দু’দলই তাকিয়ে থাকবে ব্যাটারদের দিকে। অভিষেক শর্মা, ট্রেভিস হেডরা প্রথম ম্যাচে রান পাননি। রানে ফেরার জন্য কেকেআর ম্যাচকে বেছে নিতে পারেন তাঁরা। চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হতে পারে কলকাতার বোলারদের। বরুণ চক্রবর্তীর বলে আর রহস্য নেই। বেশ কিছু দিন ধরেই ধরা পড়ে যাচ্ছেন ব্যাটারদের কাছে। অভিজ্ঞ সুনীল নারাইনকে ভরসা করা যায়। তবে প্রথম ম্যাচে তাঁকে ৪ ওভার বল না করিয়ে সমালোচিত হয়েছেন অধিনায়ক রাহানে। ক্যামেরুন গ্রিনের বল করতে না পারাও চাপে রাখবে কেকেআর শিবিরকে।
হায়দারবাদের ব্যাটিং লাইন আপে আগ্রাসী ব্যাটারের অভাব নেই। সতর্ক থাকতে হবে কেকেআর শিবিরকে। বোলিংয়ের খামতি ঢাকতে হবে ফিল্ডিং দিয়ে। বাড়তি দায়িত্ব নিতে হবে ব্যাটারদেরও। ইডেনের পিচ কেকেআরের অধিকাংশ ব্যাটারের পরিচিত। সেই সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। অন্য দিকে, হায়দরাবাদ শিবিরেও ম্যাচ জেতানোর মতো বোলার নেই। প্যাট কামিন্স এখনও খেলার মতো পরিস্থিতিতে নেই। গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে টসও।
প্রথম দু’ম্যাচ হারলে আইপিএলের শুরুতেই খানিকটা পিছিয়ে পড়তে হবে। তা অজানা নয় অভিষেক নায়ারের। তবে প্রথম একাদশ নির্বাচনের ক্ষেত্রে খুব বেশি পরীক্ষার পথে হাঁটবে না কেকেআর শিবির। পরিবর্তনের সম্ভাবনা প্রায় নেই। রাহানের সঙ্গে ওপেন করবেন ফিন অ্যালেন। তিন নম্বরে নামবেন গ্রিন। রাচিন রবীন্দ্রও রয়েছেন নায়ারের ভাবনায়। তবে একটি ম্যাচ হেরেই পরিবর্তনের সম্ভাবনা কমই। আগের ম্যাচে ৫১ রানের ইনিংস খেলা অঙ্গকৃশ রঘুবংশী থাকবেন ব্যাটিং অর্ডারের চার নম্বরে। পাঁচ নম্বরে সহ-অধিনায়ক রিঙ্কু সিংহ। ছয় নম্বরে থাকবেন রমনদীপ সিংহ। তিনিই এ বার কেকেআরের ফিনিশার। সাত নম্বরে থাকবেন অনুকূল রায় এবং আট নম্বরে সুনীল নারাইন।
শেষ তিনটি জায়গা বিশেষজ্ঞ বোলারদের। বরুণের খেলা নিয়ে কোনও প্রশ্ন নেই। প্রথম একাদশে থাকবেন বৈভব অরোরা এবং ব্লেসিং মুজ়ারাবানিও। ইমপ্যাক্ট সাব হিসেবে আগের ম্যাচের মতোই দেখা যেতে পারে কার্তিক ত্যাগীকে।