Advertisement
E-Paper

শেষ দু’মাসে ছয় সাক্ষাৎ, সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে সেই দক্ষিণ আফ্রিকাই সামনে, সূর্যকুমারদের চিন্তা অভিষেকের ফর্ম, মিডল অর্ডারের মন্থর ব‍্যাটিং

গত দু’মাসে ছ’বার মুখোমুখি হয়েছে ভারত এবং দক্ষিণ আফ্রিকা। দু’দলই একে অপরের দুর্বলতা জানে। রবিবার সুপার এইটে মুখোমুখি সেই দুই দলই। কে কাদের দুর্বলতা বেশি কাজে লাগাতে পারবে?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:৪৫
cricket

ভারতীয় ক্রিকেট দলয়। ছবি: পিটিআই।

গত ডিসেম্বরে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ়। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি ম্যাচ। সব মিলিয়ে গত দু’মাসে ছ’বার মুখোমুখি হয়েছে ভারত এবং দক্ষিণ আফ্রিকা। ফলে দু’দলই একে অপরের দুর্বলতা জানে। রবিবার সুপার এইটে মুখোমুখি সেই দুই দলই। কে কাদের দুর্বলতা বেশি কাজে লাগাতে পারে, সেটাই হয়তো ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেবে। ভারতের একটি চিন্তা যদি অভিষেক শর্মার ফর্ম হয়, অপর চিন্তা সূর্যকুমার যাদব এবং তিলক বর্মার মন্থর ব্যাটিং, যা পরের দিকের ব্যাটারদের চাপে ফেলে দিচ্ছে।

গ্রুপ পর্বে ভারতকে তেমন কঠিন প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়নি। আমেরিকা ম্যাচে চাপ হলেও অঘটন হবে, এমন আশা খুব কম সমর্থকই করেছিলেন। বাকি তিনটি ম্যাচে ভালয় ভালয় উৎরে গিয়েছে ভারত। আসল লড়াই শুরু হচ্ছে রবিবার থেকেই। প্রোটিয়া দলে কাগিসো রাবাডা, লুনগি এনগিডি, মার্কো জানসেন, কেশব মহারাজ এবং এডেন মার্করামের মতো ক্রিকেটারেরা রয়েছেন, যাঁরা ভারতকে চাপে ফেলতে মুখিয়ে।

ঈশান কিশন ছাড়া, প্রথম চারের ব্যাটারেরা এখনও পর্যন্ত নিজেদের প্রতিভার ঝলক দেখাতে পারেননি। অভিষেক শর্মা একদমই ফর্মে নেই। শেষ সাত ম্যাচে পাঁচ শূন্যের চাপ নিয়ে খেলতে নামবেন তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে রান না পেলে চাপ আরও তীব্র হবে।

বিশ্বকাপে দু’বার অফস্পিনারের বলে অভিষেক আউট হয়েছেন। তাই রবিবার মার্করামকে প্রথম ওভারে বল করতে আসতে দেখা যেতে পারে। ভারতের দলে বাঁ হাতিদের সংখ্যাধিক্য থাকায় অফস্পিনারদের দিয়ে মাত করার স্বপ্ন দেখছে সব দলই। দক্ষিণ আফ্রিকাও নিজেদের তুরপূণে বিভিন্ন অস্ত্র নিয়ে হাজির হতে পারে।

তিলক এবং সূর্যকুমারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। চিরাচরিত আগ্রাসী খেলা ছেড়ে কেন তাঁরা ‘অ্যাঙ্কর’ বা ধরে খেলার মানসিকতা নিয়ে নামছেন, তা বোঝা যাচ্ছে না। দু’জনের কেউই সেই কাজ ঠিক ভাবে করতে পারছেন না। বিশ্বকাপে তিলকের স্ট্রাইক রেট ১২০-র সামান্য বেশি, যা তাঁর কেরিয়ার স্ট্রাইক রেটের (১৪১) থেকে অনেক কম। সূর্যকুমার আমেরিকার বিরুদ্ধে অপরাজিত ৮৪ করেছিলেন ঠিকই। তবে সেই আমেরিকা দলের সেরা দুই বোলার চোটের কারণে পুরো ওভার বল করতে পারেননি।

ধীরে খেলায় পরের ব্যাটারদের উপর যে চাপটা তৈরি হচ্ছে তা কাটিয়ে ওঠা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। পরের দিকে হার্দিক পাণ্ড্য (স্ট্রাইক রেট ১৫৫) বা শিবম দুবেকে (স্ট্রাইক রেট ১৭৮) চাপ কাটাতে হচ্ছে। সব দিন তাঁরা খেলে দেবেন এমন প্রত্যাশা করাও উচিত নয়। যে দলে আট জন ব্যাটার খেলেন, সেখানে দু’জনকে ক্রিজ় কামড়ে থেকে খেলতে হবেই বা কেন?

এ অবস্থায় ভারতকে এগিয়ে রাখতে পারে তাদের বোলিং। জসপ্রীত বুমরাহ এবং বরুণ চক্রবর্তী নিজেদের আট ওভার ঠিকঠাক বল করে দিতে পারলে চাপ অনেকটাই কমে যাবে। যদিও গ্রুপ পর্বে চার প্রতিপক্ষ দলই দু’জনের বোলিং খেলে দিয়েছিল। বিশ্বকাপে চারটি ম্যাচে ন’টি উইকেট নিয়েছেন বরুণ। ইকনমি রেট ৫.১৬। বুমরাহ প্রতি ওভারে মাত্র ছ’রান করে হজম করেছেন।

তবে যে দলে কুইন্টন ডি কক, মার্করাম, ডেওয়াল্ড ব্রেভিস, ট্রিস্টান স্টাবস, রায়ান রিকেলটন, ডেভিড মিলার এবং মার্কো জানসেনের মতো ব্যাটার রয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে শুধু দু’জন নয়, গোটা বোলিং বিভাগকেই ভাল খেলতে হবে। দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচই বলে দিতে পারে প্রতিযোগিতার বাকিটা ভারতের কাছে কেমন যাবে।

India vs South Africa Aiden Markram Suryakumar Yadav
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy