Advertisement
E-Paper

পন্থের লখনউয়ের বিরুদ্ধে একপেশে জয় কোহলিদের বেঙ্গালুরুর, হারের সঙ্গে উদ্বেগ বাড়াল ঋষভের চোট

লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে একপেশে জয় পেল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। ব্যাটিং ব্যর্থতায় হারের পাশাপাশি সঞ্জীব গোয়েন্‌কার দলের উদ্বেগ বাড়াল অধিনায়ক ঋষভ পন্থের কনুইয়ের চোট।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৫ এপ্রিল ২০২৬ ২২:৪৮
picture of cricket

বিরাট কোহলি। ছবি: পিটিআই।

লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে সহজ জয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর। প্রথমে ব্যাট করে ঋষভ পন্থের লখনউ করে ১৪৬ রান। জবাবে বিরাট কোহলিরা ১৫.১ ওভারে ৫ উইকেটে ১৪৯ রান করলেন। ২৯ বল বাকি থাকতে ৫ উইকেটে জিতল বেঙ্গালুরু। ব্যাট করতে নেমে জস হেজ়লউডের বলে কনুইয়ে চোট পান পন্থ। শুশ্রূষা নিয়ে লাভ না হওয়ায় তখন উঠে যান। পরে চাপের মুখে আবার ব্যাট করতে নামলেও পরে উইকেটরক্ষকের দায়িত্ব পালন করতে পারেননি। ব্যাটিং ভরাডুবিতে হারের পাশাপাশি তাঁর চোটও উদ্বেগ বাড়াবে সঞ্জীব গোয়েন্‌কার দলের।

১৪৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে তেমন সমস্যায় পড়তে হয়নি বেঙ্গালুরুকে। ওপেনার ফিল সল্ট (৭) দ্রুত আউট হয়ে যান। তিন নম্বরে নামা দেবদত্ত পডিক্কলও রান পেলেন না। তিন করলেন ১১ বলে ১০। তা-ও চাপ তৈরি হয়নি। ওভার প্রতি রান তোলার লক্ষ্য বেশি না থাকায় স্বাভাবিক ব্যাটিং করেছেন কোহলিরা। ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসাবে ব্যাট করতে নেমে কোহলি ১ রানের জন্য অর্ধশতরান হাতছাড়া করলেন। তাঁর ব্যাট থেকে এল ৩৪ বলে ৪৯ রানের ইনিংস। ৬টি চার এবং ১টি ছয় মারলেন তিনি। আগের ম্যাচে হাঁটুতে চোট পাওয়ায় এ দিন কোহলিকে ফিল্ডিং করতে নামানো হয়নি। তবে এ দিন তিনি দখল করে নিলেন আইপিএলের কমলা টুপি।

কোহলি আউট হওয়ার পর লক্ষ্য আরও সহজ করে দিলেন রজত পাটীদার এবং জীতেশ শর্মা। আগ্রাসী ব্যাটিং করে দ্রুত রান তুললেন তাঁরা। পাটীদার খেললেন ১৩ বলে ২৭ রানের ইনিংস। ১টি চার এবং ৩টি ছয় মারেন বেঙ্গালুরু অধিনায়ক। জীতেশও বড় রান পেলেন না। তিনি ২টি চার, ২টি ছয়ের সাহায্যে করলেন ৯ বলে ২৩। গত বারের চ্যাম্পিয়নদের হয়ে বাকি কাজ সারলেন টিম ডেভিড এবং রোমারিও শেফার্ড। দু’জনেই ৮ বলে ১৪ রান করে অপরাজিত থাকলেন। দু’জনেই ১টি করে চার এবং ১টি করে ছয় মারলেন।

Advertisement

লখনউয়ের বোলারদের মধ্যে সফলতম প্রিন্স যাদব ৩২ রানে ৩ উইকেট নিলেন। ২৩ রানে ২ উইকেট আবেশ খানের। ৩০ রান দিয়ে উইকেটহীন থাকলেন মহম্মদ শামি।

এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের ২২ গজে প্রত্যাশা মতো ব্যাট করতে পারেনি লখনউ। নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারানোয় প্রয়োজনীয় জুটি তৈরি করতে পারেননি লখনউয়ের ব্যাটারেরা। ওপেনার এডেন মার্করাম (১২) আউট হওয়ার পর পন্থ চোট পেয়ে মাত্র ৩ বল খেলে মাঠ ছাড়েন। তখনও কোনও রান করেননি তিনি। চাপ বাড়িয়ে দেন চার নম্বরে নামা নিকোলাস পুরান (০)। ৩৫ রানের মধ্যে তিন ব্যাটার মাঠ ছাড়ার পর কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন ওপেনার মিচেল মার্শ এবং পাঁচ নম্বরে নামা আয়ুষ বাদোনি। তাঁদের জুটিতে ওঠে ৩৬ রান। ৩২ বলে ৪০ রান করে আউট হন মার্শ। তাঁর ব্যাট থেকে এসেছে ৩টি চার এবং ২টি ছয়। বাদোনি করেন ২৪ বলে ৩৮। ৪টি চার এবং ১টি ছয় মারেন তিনি।

মার্শ-বাদোনি জুটির পরও লখনউয়ের ইনিংস জমাট বাঁধেনি। ব্যর্থ হন আব্দুল সামাদ (০)। তিনি আউট হওয়ার পর আবার ব্যাট করতে নামেন পন্থ। শেষ পর্যন্ত তিনি করেন ৬ বলে ১। শেষ দিকে ব্যাট হাতে কিছুটা লড়াই করেন মুকুল চৌধরি। তিনি করেন ২৮ বলে ৩৯। ৩টি চার এবং ২টি ছক্কা মারেন। ভরসা দিতে পারেননি জর্জ লিন্ডে (৭), শামিরা (০)।

বেঙ্গালুরুর সফলতম বোলার রাসিখ সালাম। ২৪ রানে ৪ উইকেট নিলেন তিনি। ৩৮ বলে ২ উইকেট ক্রুণাল পাণ্ড্যের। ২০ রানে ১ উইকেট হেজ়লউডের। ভাল বল করলেন ভুবনেশ্বর কুমারও। লিন্ডে এবং শামিকে পর পর দু’বলে আউট করেন তিনি। সব মিলিয়ে ২৭ রানে ৩ উইকেট নেন তিনি।

সংক্ষেপে
  • ২৮ মার্চ থেকে শুরু হয়ে গেল প্রতিযোগিতা। গত বছর প্রয়াত ১১ সমর্থকের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এ বার হল না উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।
  • আইপিএলের গ্রুপ পর্বের ৭০টি ম্যাচের সূচি ঘোষণা হয়েছে। প্রথমে ২০টি ম্যাচের সূচি জানিয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। পরে বাকি ৫০টি ম্যাচেরও সূচি ঘোষণা করেছে বোর্ড।
  • আইপিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি, পাঁচ বার করে ট্রফি জিতেছে চেন্নাই সুপার কিংস এবং মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। কলকাতা নাইট রাইডার্স জিতেছে তিন বার।
LSG RCB Virat Kohli Rishabh Pant
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy