এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে আইপিএলের ম্যাচ হওয়া নিয়ে কয়েক দিন আগেও অনিশ্চয়তা ছিল। বেঙ্গালুরুর সেই স্টেডিয়ামেই সম্ভবত হবে আসন্ন আইপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। বিরাট কোহলিরা চিন্নাস্বামীতে বেশ কয়েকটি হোম ম্যাচ খেলবেন। প্রতিযোগিতার আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচও হতে পারে কোহলিদের ঘরের মাঠে।
গত বছর রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু প্রথম বার আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে বিজয় উৎসবের আয়োজন করেছিলেন আরসিবি কর্তৃপক্ষ। পরিকল্পনার অভাব এবং অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছিল। সেই ঘটনায় ১১ জন আরসিবি ভক্তের মৃত্যু হয় পদপিষ্ট হয়ে। আহত হন ৫৬ জন। প্রশ্ন ওঠে চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের নিরাপত্তা নিয়ে। কর্নাটক সরকার অনির্দিষ্ট কালের জন্য চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে ম্যাচ আয়োজন বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। মাস দুয়েক আগে সব ব্যবস্থা খতিয়ে দেখে আবার ম্যাচ আয়োজনের অনুমতি দিয়েছে সরকার। তাতে আইপিএলে কোহলিদের হোম ম্যাচগুলি বেঙ্গালুরুতে হওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা দূর হয়।
কর্নাটক সরকার সবুজ সঙ্কেত দেওয়ার পরও চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে আইপিএলের ম্যাচ হওয়া নিয়ে সংশয় ছিল। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সিদ্ধান্তে সেই সংশয়ও কাটল। একটি ক্রিকেট ওয়েব সাইটের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বারের চ্যাম্পিয়ন আরসিবির ঘরের মাঠ চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামেই এ বারের আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচ হবে। আরও গুরুত্বপূর্ণ হল, আইপিএলের একটি প্লেঅফ ম্যাচ এবং ফাইনালও চিন্নাস্বামীতেই হতে পারে। কোহলিরা পাঁচটি হোম ম্যাচও খেলবেন এই স্টেডিয়ামে। বাকি দু’টি হোম ম্যাচ তাঁরা খেলবেন রায়পুরে। যদিও বিসিসিআই সরকারি ভাবে এখনও এ ব্যাপারে কিছু জানায়নি।
চিন্নাস্বামী স্টেডিয়াম নিয়ে অনিশ্চয়তার সময় আরসিবি কর্তৃপক্ষ হোম ম্যাচগুলি রায়পুরে আয়োজনের পরিকল্পনা করেছিলেন। স্বভাবতই সেখানকার ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে মাঠে গিয়ে আইপিএলের ম্যাচ দেখার আশা তৈরি হয়েছিল। চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে ম্যাচ আয়োজনের অনুমতি পাওয়ার পরও আরসিবি কর্তৃপক্ষ রায়পুরের ক্রিকেটপ্রেমীদের আশাহত করতে চাননি। সে কারণেই কোহলিদের দু’টি ম্যাচ হবে ছত্তিশগড়ের রাজধানীতে।