Advertisement
E-Paper

মোথাবাড়িকাণ্ডে চারটি মামলায় ৩১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিল এনআইএ! দু’টি মামলায় নাম রইল ‘মূলচক্রী’ মোফাক্কেরুলের

মোথাবাড়ি মামলায় এনআইএ-কে দ্রুত তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। গত ১১ মে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত তদন্ত শেষ করার জন্য দু’মাস সময়ও বেঁধে দিয়েছিলেন। সেই নির্দেশ মেনেই চারটি মামলায় মঙ্গলবার চার্জশিট দাখিল করল এনআইএ।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০২ জুন ২০২৬ ২১:০০
মোথাবাড়িকাণ্ডে ধৃত মোফাক্কেরুল ইসলাম।

মোথাবাড়িকাণ্ডে ধৃত মোফাক্কেরুল ইসলাম।

মালদহের মোথাবাড়িতে এসআইআরের কাজে নিযুক্ত বিচারকদের আটকে রাখার ঘটনায় ১২টি মামলার মধ‍্যে চারটি মামলায় কলকাতা নগর দায়রা আদালতে মঙ্গলবার চার্জশিট পেশ করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। চারটির মধ‍্যে দু’টি মামলায় অভিযুক্ত হিসাবে নাম রয়েছে মোফাক্কেরুল ইসলামের। একরামুল বাদনানির নাম রয়েছে চার্জশিটে।

মালদহের মোথাবাড়িতে এসআইআরের কাজে নিযুক্ত বিচারকদের আটকে রাখার ঘটনায় ১২টি মামলার মধ‍্যে চারটি মামলায় কলকাতা নগর দায়রা আদালতে মঙ্গলবার চার্জশিট পেশ করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। চারটির মধ‍্যে দু’টি মামলায় অভিযুক্ত হিসাবে নাম রয়েছে মোফাক্কেরুল ইসলামের। একরামুল বাদনানির নাম রয়েছে চার্জশিটে।

মোথাবাড়িকাণ্ডে যে চারটি মামলায় চার্জশিট দিয়েছে এনআইএ, তার মধ্যে দু’টিতে তিন জন করে অভিযুক্ত রয়েছে। একটি মামলায় ১৫ জন এবং অপরটিতে ১০ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। এনআইএ সূত্রে জানা গিয়েছে, ডিজিটাল, প্রযুক্তিগত প্রমাণ এবং কয়েক জন প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্যের ভিত্তিতে এই চার্জশিট আদালতে দাখিল করা হয়েছে। প্রত্যেক অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ রয়েছে, তা-ও বিস্তারিত ভাবে জানানো হয়েছে। ঘটনার দিনে তাঁদের ভূমিকা কী ছিল, তা রয়েছে চার্জশিটে। সেখানে বলা হয়েছে, বেআইনি ভাবে জড়ো হয়ে অভিযুক্তেরা রাস্তা আটকান। মালদহ জেলায় এসআইআরের কাজে নিযুক্ত বিচারবিভাগীয় অফিসারদের বেআইনি ভাবে আটক করেন। ওই ঘটনায় তাঁদের ভূমিকা স্পষ্ট ভাবে চার্জশিটে রয়েছে।

মোথাবাড়ি মামলায় এনআইএ-কে দ্রুত তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। গত ১১ মে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত তদন্ত শেষ করার জন্য দু’মাস সময়ও বেঁধে দিয়েছিলেন। সেই নির্দেশ মেনেই চারটি মামলায় মঙ্গলবার চার্জশিট দাখিল করল এনআইএ।

এসআইআর নিয়ে মালদহের মোথাবাড়িতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। অভিযোগ, বিবেচনাধীন তালিকা থেকে যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁদের একাংশ বিচারকদের ঘেরাও করেছিলেন। গভীর রাত পর্যন্ত বিচারকদের আটকে রাখা হয়। এর পর মামলা স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে শোনে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের নির্দেশে নির্বাচন কমিশন এনআইএ-র হাতে ঘটনার তদন্তভার দেয়।

মোথাবাড়ির ঘটনায় মোফাক্কেরুলকে ‘মূলচক্রী’ হিসাবে আদালতে উল্লেখ করেছিল পুলিশ। অভিযোগ ওঠে, ওই অশান্তির আগে কালিয়াচকে টোটোয় উঠে ভাষণ দিয়েছিলেন মোফাক্কেরুল। তাঁর সেই ভাষণ অশান্তিতে প্ররোচনা জুগিয়েছিল বলেও অভিযোগ। ঘটনায় নাম জড়ানোর পর থেকেই পলাতক ছিলেন মোফাক্কেরুল। পরে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে সিআইডি। তাঁর সঙ্গেই গ্রেফতার করা হয়েছিল আক্রামুল বাগানি নামে এক ব্যক্তিকে। অভিযোগ, আলিপুরদুয়ার থেকে বাইকে চেপে মোফাক্কেরুলকে বিমানবন্দরে নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। এনআইএ দু’জনকেই নতুন এক মামলায় যুক্ত করার আবেদন জানিয়েছে। একই সঙ্গে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করতে চান বলেও আদালতে জানান কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy