যখন রান পাচ্ছিলেন না, খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন পরামর্শ নেওয়ার জন্য ছুটে গিয়েছিলেন সচিন তেন্ডুলকরের কাছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সিরিজ় সেরার পুরস্কার পেয়ে স্বীকার করে নিয়েছেন সঞ্জু স্যামসন। পরের দিন তাঁর বাবা স্যামসন বিশ্বনাথ জানালেন, ছেলে যাতে সচিন এবং রাহুল দ্রাবিড়ের মতো খেলে, সেই চেষ্টা ছোটবেলা থেকেই করে এসেছেন তিনি। বিশ্বকাপে সঞ্জু নিজের স্বাভাবিক খেলা খেলতে পেরেছেন দেখে তিনি গর্বিত।
‘ইন্ডিয়া টুডে’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিশ্বনাথ বলেছেন, “সঞ্জু ব্যাট ধরা শুরু করার পর থেকে সচিন স্যর এবং দ্রাবিড় স্যরকে অনুসরণ করত। ওর যখন চার বছর বয়স, তখন থেকে এই দু’জন ছাড়া আর কারও ব্যাটিং দেখাতাম না। আমিই ওদের (সঞ্জু এবং তাঁর দাদা স্যালি) অনুশীলন করাতাম। একসঙ্গে বসে খেলা দেখার সময় দ্রাবিড় স্যর এবং সচিন স্যরেরই ব্যাটিং দেখাতাম। আমি ছেলেদের বলতাম, ‘দেখো, এই দু’জন ক্রিকেটার কত ভাল খেলে এবং কী ভাবে ওরা ব্যাট করে’। তাই ছোট থেকেই এই দুই ক্রিকেটারকে অনুসরণ করছে ওরা।”
বিশ্বকাপের শেষ তিনটি ম্যাচে সঞ্জু যে ভাবে খেলেছেন তাতে গর্বিত বিশ্বনাথ। তাঁর মতে, সঞ্জুর স্বাভাবিক খেলা এই তিনটি ম্যাচেই দেখা গিয়েছে। খোলা মনে শট নিয়েছেন। ছোটবেলায় ঠিক এ ভাবেই নাকি খেলতেন তিনি। মাঝে কয়েক বছরে তাঁর খেলার ধরন বদলে গিয়েছিল। আবার তা ফিরেছে।
বিশ্বনাথের কথায়, “শেষ তিনটে ইনিংসে ওর জাত চিনিয়ে দিয়েছে। একটাও এমন শট ছিল না, যেখানে বল ওর ব্যাটে ঠিক করে লাগেনি। শট মারার সময় খুব শান্ত, চিন্তামুক্ত দেখিয়েছে ওকে। প্রতিটা বল খেলেছে খুব স্বাধীনতা নিয়ে।”
আরও পড়ুন:
বিশ্বনাথের সংযোজন, “ছোটবেলায় ঠিক এ ভাবেই ও খেলত। গত কয়েক বছর এ ভাবে খেলছিল না। আমি অনেক বার বলেছি পুরনো ঘরানায় ফিরতে। সব সময়ে সে কথা শুনত না। লোকে খোঁচা দিলে ওকেই সেটা শুনতে হত।”