অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়ে ফিল্ডিং করার সময় চোট পেয়েছিলেন প্লীহায়। সেই চোট সারাতে প্রায় আড়াই মাস ক্রিকেটের বাইরে থাকতে হয়েছিল। সইতে হয়েছিল অনেক যন্ত্রণা। তার পরেও সেই ঘটনায় শাপে বর হয়েছিল বলেই মনে করছেন শ্রেয়স আয়ার। তাঁর মতে, বিশ্রামের সময় পাওয়া বিরতিতে তিনি নিজেকে নতুন করে দেখার সময় পেয়েছেন।
বুধবার নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাত্র ৮ রান করেন শ্রেয়স। তার আগে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের চোট নিয়ে বলেন, “খুব যন্ত্রণা হয়েছিল। অসম্ভব যন্ত্রণা। প্রথমে বুঝতেই পারিনি এই চোট কতটা গুরুতর। পরে জানলাম আমাদের শরীরে প্লীহা বলে একটা গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ রয়েছে। আমি তো শব্দটা জানতামই না।”
শ্রেয়সের সংযোজন, “পরের দিন হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সময় বুঝেছিলাম গুরুতর কোনও চোট পেয়েছি। প্রথম বার প্লীহা শব্দটা শুনেছিলাম।”
চোট পেয়ে বেশ কিছু দিন মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছিল শ্রেয়সকে। সেই সময়টা কঠিন ছিল। তবে নিজেকে ফিরে দেখার সময়ও পেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন শ্রেয়স। তাঁর কথায়, “আমি বুঝতে পেরেছিলাম এ বার নিজেকে একটু সময় দেওয়া উচিত। বেশি তাড়াহুড়ো করার দরকার নেই। আসলে আমি এক জায়গায় বেশি ক্ষণ বসে থাকার মানুষ নই। কোনও না কোনও কাজ করতেই থাকি। কিন্তু এই চোটের পর নিজের দিকে তাকানোর একটু সময় পেয়েছিলাম। নিজেকে বিশ্রাম দিয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরতে চেয়েছিলাম। কারণ সুস্থ হয়েই মাঠে নেমে পড়ার উপায় ছিল না।”
আরও পড়ুন:
চিকিৎসকদের নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছিলেন শ্রেয়স। খেয়াল রেখেছিলেন যাতে কোথাও কোনও ভুল না হয়ে যায়। ব্যাটারের কথায়, “বলা হয়েছিল ছ’-থেকে আট মাস বিশ্রাম নিতে হবে। তার পর স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে অনুশীলন শুরু করতে পারব। তাই নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসরণ করেছিলাম। তার পর গোটা রাস্তাটা মসৃণ কেটেছে।”
ফেরার পর নিজের ব্যাটিংয়ের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়েও কথা বলেছেন শ্রেয়স। জানিয়েছেন, জোর করে কোনও কিছু করতে চান না। শ্রেয়স বলেছেন, “সত্যি বলতে, আলাদা কিছু করার চেষ্টা করছি। নিজের ভাবনাচিন্তার উপর ভরসা রেখেছিলাম।”