Advertisement
০১ অক্টোবর ২০২২
IPL

Ross Taylor: শুরুতে আইপিএলে বিলাসিতা কোন পর্যায়ে পৌঁছেছিল, জানালেন দিল্লির প্রাক্তন ক্রিকেটার

দিল্লি থেকে আগ্রা গাড়িতে গেলে সাড়ে তিন বা চার ঘণ্টার মধ্যে পৌঁছে যাওয়ার কথা। সেই পথই নিয়ে যাওয়া হয় বিমানে।

খেলার মাঠের বাইরেও চর্চায় আইপিএল।

খেলার মাঠের বাইরেও চর্চায় আইপিএল। ফাইল চিত্র

নিজস্ব প্রতিবেদন
শেষ আপডেট: ১৫ অগস্ট ২০২২ ১৪:২৫
Share: Save:

দিল্লি থেকে আগ্রার সড়কপথে দূরত্ব মেরেকেটে ২৪৭ কিমি। গাড়িতে গেলে সাড়ে তিন বা চার ঘণ্টার মধ্যে পৌঁছে যাওয়ার কথা। দলের ক্রিকেটারদের তাজমহল দেখাতে সেই পথই বিমানে করে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। আইপিএলের শুরুর দিকে দল মালিকদের এ রকমই বিলাসিতার উদাহরণ সামনে এনেছেন রস টেলর।

নিউজিল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার তখন আইপিএলে দিল্লি ডেয়ারডেভিলস (এখন দিল্লি ক্যাপিটালস) দলের হয়ে খেলেন। সেই সময়ের কথা উল্লেখ করে টেলর জানিয়েছেন, দল মালিকের ছেলের ইচ্ছেয় ব্যক্তিগত বিমানে করে তাঁরা তাজমহল দেখতে গিয়েছিলেন। সবার একটি বিমানে জায়গা হয়নি। দু’টি বিমান ভাড়া করা হয়েছিল। আগ্রায় কোনও বিমানবন্দর নেই। ফলে সেনাবাহিনির ছাউনিতে নামাতে হয়েছিল সেই বিমান।

টেলর লিখেছেন, “আমরা মোট ১১ জন ছিলাম। বিমানে মাত্র ৯ জন বসতে পারত। তাই কিরণ (দলের মালিক জিএম রাওয়ের ছেলে) আমাদের জন্য দু’টি বিমানের ব্যবস্থা করে। মাত্র ২২ মিনিটে লেগেছিল যেতে। আগ্রায় কোনও বিমানবন্দর নেই বলে আমরা সেনাবাহিনির ছাউনিতে নামি। সেখানে অনেক উচ্চপদস্থ ব্যক্তি হাজির ছিলেন।”

তাজমহলে গিয়ে আবার বিপদেও পড়েছিলেন টেলর। ঐতিহাসিক এই সৌধের যে আসনে বসে রানি ডায়ানা ছবি তুলেছিলেন, সেখানেই ব্যক্তিগত ম্যানেজার লিয়ান ম্যাকগোল্ডরিকের সঙ্গে বসে ছবি তোলেন টেলর। পরের দিন এক ভারতীয় সংবাদপত্রে সেই ছবি ছাপা হয় এবং ক্যাপশনে লিয়ানকে টেলরের স্ত্রী হিসাবে উল্লেখ করা হয়।

তাই দেখে টেলরের স্ত্রী ভিক্টোরিয়া প্রচণ্ড রেগে যান। সেই প্রসঙ্গে নিউজিল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার লিখেছেন, “এখনও সেই কথা উঠলে ভিক্টোরিয়া খুব রেগে যায়। ওকে কিছুতেই বোঝাতে পারি না। তাজমহলের ছবি দেখলে বা কথা শুনলেই হাসিতে ফেটে পড়ি।”

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)
Follow us on: Save:
Advertisement
Advertisement

Share this article

CLOSE
Popup Close
Something isn't right! Please refresh.