ম্যাচের বয়স তখন ৮০ মিনিট। ফেদেরিকো ভালভার্দের বাড়ানো বল ধরে বাঁ-দিক দিয়ে অনেকটা দৌড়ে দুরূহ কোণ থেকে গোল করেই ভিনিশিয়াস জুনিয়র ছুটলেন কর্নার ফ্ল্যাগের দিকে। কোমর দোলাতে শুরু করলেন। এক সপ্তাহ আগে বেনফিকার বিরুদ্ধে প্লে-অফের প্রথম পর্বে গোলের পরেও যখন উৎসব করছিলেন, ভেসে এসেছিল বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্য। যা নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। সে সবের জবাব দিয়েই ২-১ গোলে বেনফিকাকে হারিয়ে (দুই পর্ব মিলিয়ে ৩-১) চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোয় পৌঁছে গেল রিয়াল মাদ্রিদ।
সেই কারণেই ম্যাচের পরে রিয়ালের অরেলিয়ঁ চুয়ামেনি বলেছেন, “রিয়াল মাদ্রিদের জয় বর্ণবিদ্বেষের বিরুদ্ধে জয়।” তাঁর সংযোজন, “আমি মনে করি এই ম্যাচের থেকেও বড় ছিল বর্ণবিদ্বেষের বিরুদ্ধে লড়াই। আমাদের সকলের জয়।” রিয়ালের সমর্থকদের রক্তচাপ বাড়িয়ে ১৪ মিনিটে রাফা সিলভার গোলে এগিয়ে গিয়েছিল বেনফিকা। দু’মিনিট পরে চুয়ামেনির গোলে সমতা ফেরে। তবে নায়ক ভিনিশিয়াসই। পাশাপাশি শেষ ষোলোয় পৌঁছেছে গত বারের চ্যাম্পিয়ন প্যারিস সঁ জরমঁ, আতলেতিকো মাদ্রিদ, গালাতাসারে।
এ দিকে আর্থিক অস্বচ্ছতার কারণে প্রিমিয়ার লিগ থেকে অবনমন ঘটতে পারে ম্যাঞ্চেস্টার সিটির। তাদের বিরুদ্ধে ১১৫ টি-র বেশি অভিযোগ রয়েছে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)