বদলে গেল একটা গোটা মহিলা দলের জার্সি। কারণ ঋতুস্রাব। নিউ জ়িল্যান্ডের মহিলা ফুটবল দল নতুন জার্সির আবেদন করেছিল। সেই আবেদন মেনে নেওয়া হয়েছে।
গত কয়েক বছর ধরে বিশ্বের মহিলা ক্রীড়াবিদদের একাংশ সাদা বা হালকা রঙের শর্টস পরে খেলার ব্যাপারে আপত্তি জানাচ্ছেন। তাঁদের দাবি, ঋতুস্রাবের সময় প্রায়ই অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। খেলার সময় ঋতুস্রাব নিয়ে সতর্ক থাকা কঠিন। শর্টসের রং সাদা বা হালকা হলে রক্তের দাগ বোঝা যায়। তাতে বিড়ম্বনার মধ্যে পড়তে হয় তাঁদের। নিউ জ়িল্যান্ডের মহিলা ফুটবলাররাও একই কারণে শর্টসের রং বদলের আবেদন করেন।
এত দিন দলের প্রথম জার্সির রং ছিল সাদা, শর্টসের রংও একই ছিল। দ্বিতীয় জার্সি পুরোটাই ছিল কালো। দ্বিতীয় সেট আগের মতো থাকলেও বদলে ফেলা হল প্রথম সেট। যে ক্রীড়াসামগ্রী প্রস্তুতকারী সংস্থা নিউ জ়িল্যান্ডের মহিলা দলের সরঞ্জাম সরবরাহ করে, তারা নতুন প্রথম সেট জার্সি দিয়েছে। এখন থেকে সাদা জার্সির সঙ্গে কালো শর্টস দেওয়া হয়েছে।
বিশ্বকাপের আগে সাদা শর্টস পরিবর্তন হওয়ায় খুশি কিউই ফুটবলাররা। স্ট্রাইকার হান্না উইলকিনসন বলেছেন, ‘‘এটা মহিলাদের জন্য দুর্দান্ত একটা খবর। এখন আর ঋতুস্রাবের সময় উদ্বেগে থাকতে হবে না। আমরা এখন থেকে খেলার দিকে অনেক বেশি মন দিতে পারব। এটা মহিলাদের জন্য একটা স্বীকৃতিও বটে।’’
বিভিন্ন দেশ মহিলাদের সাদা বা হালকা রঙের শর্টসের বদলে গাঢ় রঙের শর্টস অনুমোদন করেছে। বিভিন্ন খেলায় শুরু হয়েছে পরিবর্তন। গত বছর অল ইংল্যান্ড লন টেনিস ক্লাবও জানিয়েছিল, মহিলা খেলোয়াড়রা চাইলে সাদা পোশাকের নীচে কালো বা কোনও গাঢ় রঙের শর্টস ব্যবহার করতে পারবেন।
আরও পড়ুন:
সংশ্লিষ্ট ক্রীড়া সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী সংস্থাটি নিউ জ়িল্যান্ড ছাড়াও ইংল্যান্ড, আমেরিকা-সহ কয়েকটি দেশের মহিলা ফুটবল দলের সরঞ্জাম সরবরাহ করে। প্রয়োজন মতো সেই সব দেশের শর্টসের হালকা রং গাঢ় করা হয়েছে। এ বছর মহিলাদের বিশ্বকাপ ফুটবল হবে নিউ জ়িল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়ায়। বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী একাধিক দলকে দেখা যাবে নতুন শর্টসে।