Advertisement
E-Paper

এক সপ্তাহের বিয়ার চার দিনে শেষ! স্কটিশ ফুটবলপ্রেমীদের চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে বোস্টনের পাবগুলি, ব্যবসা বাড়ায় খুশি মালিকেরা

ফুটবলারদের পাশে থাকতে বোস্টনে এসেছেন প্রায় ১০ হাজার স্কটিশ ফুটবলপ্রেমী। উৎসবের মেজাজে রয়েছেন তাঁরা। একে ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে দেশ। তার উপর ৩৬ বছর পর জয়। উচ্ছ্বাস বাঁধ মানছে না।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৯ জুন ২০২৬ ১০:৫২
picture of football

বোস্টনে স্কটিশ ফুটবলপ্রেমীরা। ছবি: রয়টার্স।

হাইতির বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে জয় পেয়েছে স্কটল্যান্ড। ১৯৯৮ সালের পর এ বার বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে তারা। ১৯৯০ সালের পর প্রথম জয় এসেছে। সব মিলিয়ে আত্মহারা স্কটিশ ফুটবলপ্রেমীরা। বোস্টনের পাবগুলিতে ভিড় জমাচ্ছেন তাঁরা। স্কটিশদের পানীয়ের চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন পাব মালিকেরা।

ফুটবলারদের পাশে থাকতে বোস্টনে এসেছেন প্রায় ১০ হাজার স্কটিশ ফুটবলপ্রেমী। উৎসবের মেজাজে রয়েছেন তাঁরা। একে ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে দেশ। তার উপর ৩৬ বছর পর জয়। উচ্ছ্বাস বাঁধ মানছে না। জাতীয় পতাকা নিয়ে গোটা বোস্টন দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন তাঁরা। তাঁদের এই দাপাদাপিতে বোস্টনের বাসিন্দাদের একাংশ বিস্মিত হলেও খুশি পাব মালিকেরা। বোস্টনের একটি জনপ্রিয় পাবের জেনারেল ম্যানেজার বিলি ডিকেইন বলেছেন, ‘‘৩০ বছরের বেশি ব্যবসা করছি। এমন পরিস্থিতি কখনও হয়নি। মরক্কোর বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে স্কটল্যান্ড দল বোস্টনে আসার পর থেকে বিয়ারের চাহিদা বেড়ে গিয়েছে। আপাতত পরিস্থিতি সামলানো গিয়েছে।’’ এক সপ্তাহের মজুত চার দিনেই প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলি জরুরি ভিত্তিতে পানীয় সরবরাহ না করলে সপ্তাহান্তে সমস্যা হতে পারে।

এ ভাবেই বিয়ার কিনছেন স্কটল্যান্ডের ফুটবলপ্রেমীরা।

এ ভাবেই বিয়ার কিনছেন স্কটল্যান্ডের ফুটবলপ্রেমীরা। ছবি: রয়টার্স।

সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানাচ্ছে, স্কটিশেরা সাধারণত পাবগুলিতে ভিড় করছেন। বোস্টনের গরমে তৃষ্ণা মেটানোর জন্য তাঁদের পছন্দ বিয়ার। বিশ্বকাপের প্রথম সপ্তাহেই বোস্টনে বিয়ারের চাহিদা তুঙ্গে। পাবগুলিতে মজুত বিয়ার নেই বললেই চলে। চাহিদা দেখে জরুরি ভিত্তিতে প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলিকে বিয়ার সরবরাহের অনুরোধ করেছেন পাব মালিকেরা। চাহিদা এতটাই বেড়েছে বোতলের পাশাপাশি প্রচুর ক্যানের বরাত দেওয়া হয়েছে। বিশ্বকাপের সুবাদে হঠাৎ ব্যবসায় শ্রীবৃদ্ধিতে খুশি পাব মালিকেরা।

সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানাচ্ছে, স্কটিশেরা সাধারণত পাবগুলিতে ভিড় করছেন। বোস্টনের গরমে তৃষ্ণা মেটানোর জন্য তাঁদের পছন্দ বিয়ার। বিশ্বকাপের প্রথম সপ্তাহেই বোস্টনে বিয়ারের চাহিদা তুঙ্গে। পাবগুলিতে মজুত বিয়ার নেই বললেই চলে। চাহিদা দেখে জরুরি ভিত্তিতে প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলিকে বিয়ার সরবরাহের অনুরোধ করেছেন পাব মালিকেরা। চাহিদা এতটাই বেড়েছে বোতলের পাশাপাশি প্রচুর ক্যানের বরাত দেওয়া হয়েছে। বিশ্বকাপের সুবাদে হঠাৎ ব্যবসায় শ্রীবৃদ্ধিতে খুশি পাব মালিকেরা।বোস্টনের একটি জনপ্রিয় পাবের জেনারেল ম্যানেজার বিলি ডিকেইন বলেছেন, ‘‘৩০ বছরের বেশি ব্যবসা করছি। এমন পরিস্থিতি কখনও হয়নি। মরক্কোর বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে স্কটল্যান্ড দল বোস্টনে আসার পর থেকে বিয়ারের চাহিদা বেড়ে গিয়েছে। আপাতত পরিস্থিতি সামলানো গিয়েছে।’’ এক সপ্তাহের মজুত চার দিনেই প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলি জরুরি ভিত্তিতে পানীয় সরবরাহ না করলে সপ্তাহান্তে সমস্যা হতে পারে।In-article ImageThis is requiredImage Caption0/200Image Attribution0/200Alt Text0/200একটি বিয়ার উৎপাদক সংস্থা জানিয়েছে, ৪ জুলাই থেকে বোস্টনে চার দিনের ছুটি থাকে। প্রতি বছর এই সময় বিয়ারের চাহিদা যা থাকে, তার চারগুণেরও বেশি বিয়ার বিক্রি হয়েছে সপ্তাহের প্রথম চার দিনে। চাহিদা সামাল দিতে উৎপাদন বাড়িয়েছে তারা। সপ্তাহের প্রথম চার দিনে ৪০০০ পিন্ট বিয়ার বিক্রি হয়েছে তাদের। উৎপাদন বাড়িয়েও ফুটবলপ্রেমীদের চাহিদা মেটানোর ব্যাপারে নিশ্চিত নয় সংস্থাটি। মনে করা হচ্ছে, দ্বিতীয় ম্যাচেও স্কটল্যান্ড জিতলে চাহিদা আরও বাড়বে। যদিও ব্যবসা বাড়ায় তারা বেজায় খুশি।

বোস্টনের মেয়র মিশেল উ বলেছেন, ‘‘আমরা নিজেদের বিশ্বের অন্যতম আবেগপ্রবণ এবং উন্মাদ ক্রীড়াপ্রেমী বলে বিবেচনা করি। তাই এই পর্যায়ের দায়বদ্ধতা এবং নিষ্ঠা দেখে আমাদের মনে শ্রদ্ধার অনুভূতি তৈরি হচ্ছে। স্কটিশ সমর্থকেরা সত্যিই সেরা। তাঁরা অত্যন্ত আন্তরিক। আমাদের ব্যবসায় লাভ হচ্ছে। এখানকার মানুষদের সঙ্গে ওঁরা মেশার চেষ্টা করছেন। বোস্টনকে নিজেদের দ্বিতীয় বাড়ির মতো আপন করে নিয়েছেন স্কটিশেরা।’’ বোস্টনে স্থানীয়দের সঙ্গে স্কটিশ ফুটবলপ্রেমীরা একটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছেন। সেখানেও ছিল প্রচুর পানীয়ের ব্যবস্থা।

সংক্ষেপে
  • ১১ জুন থেকে শুরু হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপ। চলবে ১৯ জুলাই পর্যন্ত। এ বারই প্রথম ৪৮টি দেশকে নিয়ে প্রতিযোগিতা আয়োজন করছে ফিফা।
  • ফুটবল বিশ্বকাপ হচ্ছে তিনটি দেশে। আমেরিকা, কানাডা এবং মেক্সিকো বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক। তিনটি দেশে আলাদা আলাদা উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে ফিফা।
  • বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ হয়েছে অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে। ১১ জুন মেক্সিকোর বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে শুরু হয়েছে বিশ্বকাপ।
সর্বশেষ
৩২ মিনিট আগে
Scotland Football Fans Beer Boston
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy