×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

১৯ জানুয়ারি ২০২১ ই-পেপার

‘হামাগুড়ি দিয়ে ফিজিয়োর ঘরে গিয়েছিল অশ্বিন’, স্পিনারের অসহনীয় ব্যথার কথা লিখলেন স্ত্রী প্রীতি

নিজস্ব প্রতিবেদন
কলকাতা১৫ জানুয়ারি ২০২১ ০১:৪৮
স্ত্রী প্রীতির সঙ্গে অশ্বিন। ছবি টুইটার

স্ত্রী প্রীতির সঙ্গে অশ্বিন। ছবি টুইটার

সিডনি টেস্টের পঞ্চম দিনে অটল মনোভাব দেখিয়ে ভারতের হার বাঁচিয়েছেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। পিঠে যে অসহ্য ব্যথা নিয়ে তাঁকে খেলতে হয়েছিল, একথা ম্যাচের পরেই টুইট করে জানিয়েছিলেন তাঁর স্ত্রী প্রীতি। এবার তিনি জানালেন, ম্যাচের আগের দিন রাতে কী অসহনীয় পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছিল অশ্বিনকে। ফিজিয়োর ঘরে তাঁকে যেতে হয়েছিল হামাগুড়ি দিয়ে।

এক সংবাদপত্রের কলামে প্রীতি লিখেছেন, “বহুদিন ধরে ওকে ব্যথা সহ্য করতে দেখছি। কিন্তু এবার যা দেখলাম, অতীতে কোনওদিন তা হয়নি। ঠিক করে চলাফেরা করতে পারছিল না অশ্বিন। মাটিতে হামাগুড়ি দিচ্ছিল। একবার বসলে উঠতে পারছিল না। শরীর বেঁকাতে পারছিল না। আমি বুঝতে পারছিলাম না কী ভাবে পরদিন ও মাঠে নামবে। ওকে একবার বলেছিলাম, ছেড়ে দাও। অশ্বিন উত্তর দিয়েছিল, ‘আমাকে খেলতেই হবে।”

প্রীতি জানিয়েছেন, চতুর্থ দিনের খেলা শুরুর আগে ওয়ার্ম-আপের সময়েই কোনও সমস্যা হয়েছিল অশ্বিনের। ম্যাচে বল করার পর থেকে ব্যথা বাড়তে থাকে। শেষে হোটেলে ফেরত আসার পর ব্যথায় কাতরাতে থাকেন অশ্বিন। ফিজিয়োর কাছে গেলেও লাভ হয়নি। পঞ্চম দিন সকালের অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে প্রীতি লিখেছেন, “ওকে দেখে রীতিমতো ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। জানাল, সকালেও হামাগুড়ি দিয়ে ফিজিয়োর ঘরে গিয়েছিল। সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারছিল না। আমি ভয় পেয়ে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, ‘কীভাবে তুমি ব্যাট করবে?’ ও বলেছিল, ‘জানি না। মাঠে আমাকে যেতেই হবে। তারপরে ভেবে দেখব।’ ও বেরিয়ে যাওয়ার পরে ভাবছিলাম, এই হয়তো দলের কেউ ফোন করে বলবে ওকে স্ক্যানের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে।”

Advertisement

আরও খবর: অশ্বিন ৮০০ উইকেটে পেতে পারেন, মনে করছেন বিশ্বরেকর্ডের মালিক মুরলীধরন

আরও খবর: গতির ভয়ানক গাব্বায় এখনও অনুপ্রেরণা সৌরভের সেই ১৪৪

ব্যথায় কাতর অশ্বিনকে ড্রেসিংরুমে ফেরানোর পূর্ণ সুযোগ নিতে চেয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। ক্রমাগত বাউন্সার বা শরীর লক্ষ্য করে বল করা হচ্ছিল। উইকেটের পিছন থেকে একটানা ধেয়ে আসছিল টিম পেনের স্লেজিং, যার পাল্টা দেন অশ্বিনও। দুই ক্রিকেটারের বাক্-যুদ্ধ নিয়ে প্রীতি লিখেছেন, “অশ্বিনকে উত্তর দিতে দেখে অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। ও সাধারণত এরকম করে না। তাহলে কি ফোকাস হারাচ্ছে? নাকি ব্যথা আরও বেড়েছে বলে সহ্য করতে পারছে না। মনে মনে প্রার্থনা করছিলাম, অ্যাশ, উত্তর দিয়ো না। কিন্তু হনুমার সঙ্গে তামিলে যখন কথা বলছিল, তখনই বুঝেছিলাম ও শান্ত রয়েছে।”

Advertisement