আবার চেনা ছন্দে লোকেশ রাহুল। তাঁর দাপুটে ব্যাটিংয়ের সুবাদে পঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে আগ্রাসী মেজাজে ইনিংস শুরু করল লখনউ সুপার জায়ান্টস। অন্য ওপেনার কাইল মেয়ার্স এবং তিন নম্বরে নামা দীপক হুডা আউট হওয়ার পরেও দায়িত্ব নিয়ে খেললেন লখনউ অধিনায়ক। প্রায় শেষ পর্যন্ত দলের ইনিংসকে টানলেন তিনি।
রাহুলের ব্যাট শক্ত ভিতের উপর দাঁড় করিয়ে দিল লখনউকে। এ বারের আইপিএলে নিজের প্রথম অর্ধশতরান করলেন লখনউ অধিনায়ক। মূলত তাঁর ইনিংসের উপর ভর করেই পঞ্জাবের বিরুদ্ধে লখনউ প্রথমে ব্যাট করে তুলল ৮ উইকেটে ১৫৯ রান। শেষ পর্যন্ত রাহুলের ব্যাট থেকে এল ৫৬ বলে ৭৪ রান। মারলেন ৮টি চার এবং ১টি ছক্কা।
মেয়ার্স ভাল শুরু করলেও বড় রান পেলেন না। ২৩ বলে ২৯ রান করে আউট হয়ে গেলেন হরপ্রীত ব্রার বলে। মারলেন ১টি চার এবং ৩টি ছয়। তিন নম্বরে নামা দীপক (৩ বলে ২ রান) দলকে ভরসা দিতে পারলেন না। ৬২ রানে ২ উইকেট পড়ার পর অধিনায়কের সঙ্গে দলের ইনিংস গড়ার কাজ করলেন ক্রুণাল পাণ্ড্য। তিনি মূলত উইকেটের এক দিক আগলে রাখার দায়িত্ব পালন করলেন। যদিও বড় রান করতে পারলেন না তিনি। ১৭ বলে ১৮ রান করে আউট হলেন কাগিসো রাবাডার বলে। পাঁচ নম্বরে নামা নিকোলাস পুরানকে (শূন্য) প্রথম বলেই সাজঘরে ফেরালেন রাবাডা। পর পর ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় লখনউ। কমে যায় রান তোলার গতি।
১১১ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর রাহুলের সঙ্গে জুটি বাধেন অস্ট্রেলীয় অলরাউন্ডার মার্কাস স্টোইনিস। তিনিও সাফল্য পেলেন না পঞ্জাবের বিরুদ্ধে। ১১ বলে ১৫ রান করলেন তিনি। ধারাবাহিক ভাবে উইকেট হারানোয় লখনউ রান তোলার গতি কোনও সময়ই তেমন বাড়াতে পারেনি।
আরও পড়ুন:
চোটের জন্য শনিবার পঞ্জাবের হয়ে খেলতে পারেননি অধিনায়ক শিখর ধাওয়ান। তাই দলকে নেতৃত্ব দেন স্যাম কারেন। তিনি টস জিতে প্রথম ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন। সাত জন বোলারকে ব্যবহার করলেন তিনি। কোনও বোলারের বিরুদ্ধে থিতু হওয়ার সুযোগ দিলেন না লখনউয়ের ব্যাটারদের। পঞ্জাবের সফলতম বোলার কারেন ৩১ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিলেন। ৩৪ রানে ২ উইকেট রাবাডার। বাউন্ডারি লাইনে দুরন্ত ফিল্ডিং করলেন শাহরুখ খান। নিলেন দু’টি ভাল ক্যাচ।