Advertisement
E-Paper

আইসিসি-বোর্ড যুদ্ধ আরও তীব্র, ‘পিছনে শ্রীনি কি না? বলতে পারব না তো’

মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে ভারতীয় বোর্ডের গরম গরম অভিযোগে আক্রান্ত আইসিসি প্রেসিডেন্ট। শনিবার রাতে নাগপুরের বাড়িতে ধরা হলে প্রথমে কিছু বলতেই চাইছিলেন না। তার পর অবশ্য শশাঙ্ক মনোহর ফোনে কিছু প্রশ্নের জবাব দিলেন গৌতম ভট্টাচার্য-কে।প্রশ্ন: অনুরাগ ঠাকুর তো সরাসরি অভিযোগ করেছেন আপনার বিরুদ্ধে যে জাহাজ ডুবন্ত দেখে আপনি ক্যাপ্টেন পালিয়ে গিয়েছেন।

শেষ আপডেট: ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৩:০৬
মনোহর-অনুরাগ। তখন এক ‘জাহাজে’। -ফাইল চিত্র।

মনোহর-অনুরাগ। তখন এক ‘জাহাজে’। -ফাইল চিত্র।

প্রশ্ন: অনুরাগ ঠাকুর তো সরাসরি অভিযোগ করেছেন আপনার বিরুদ্ধে যে জাহাজ ডুবন্ত দেখে আপনি ক্যাপ্টেন পালিয়ে গিয়েছেন।

শশাঙ্ক: শুনলাম। আমার কিছু বলার নেই।

প্র: বলার নেই কী বলছেন! মাত্র কয়েক মাস আগেও অনুরাগ আপনার সেক্রেটারি ছিলেন। আপনার অধীনে কাজ করেছেন। তিনি এত বড় অভিযোগ আনছেন। আপনি তার উত্তর দেবেন না?

Advertisement

শশাঙ্ক: সেটা ওদের মনে হয়েছে। ওরা বলেছে। আমি আবার জবাব দিলে কাল এরা পাল্টা কিছু বলবে। অন্তহীন বিতর্ক এ ভাবে চলতেই থাকবে তিন দিন চার দিন করে। কী দরকার? আমি নিজে জানি সত্যিটা কী। সেটা আপাতত আমার কাছে থাক।

প্র: হঠাৎ করে যে ভারতীয় বোর্ড বনাম আইসিসি লাগল সেটা কি বিস্ময়কর নয়? আইসিসি-র শেষ বৈঠক যেখানে হয়েছে জুন মাসে।

শশাঙ্ক: ইয়েস। আড়াই মাস আগে।

প্র: আড়াই মাস চুপচাপ থাকার পর হঠাৎ কী হল?

শশাঙ্ক: নো আইডিয়া। আপনি ভুল লোককে প্রশ্ন করছেন। ওদের জিজ্ঞেস করুন।

প্র: শোনা যাচ্ছে এই যে আপনার বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ বিক্ষোভ এর পিছনে শ্রীনিবাসন। পিছন থেকে শ্রীনিই বিক্ষোভের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

শশাঙ্ক: পিছনে শ্রীনি? বলতে পারব না ভাই। নো আইডিয়া।

প্র: কিন্তু একা শ্রীনিই বা কেন? আপনার এত দিনের সঙ্গী অজয় শিরকেও তো শ্রীনির সঙ্গে মিটিং করে এলেন।

শশাঙ্ক: দেখলাম তাই। আমার কিছু বলার নেই।

প্র: আপনার মতো চিরকালীন দাপুটে লোক এমন এড়িয়ে যাওয়া উত্তর দিচ্ছে কেন?

শশাঙ্ক: কী বলব। কিছু বললে আবার সেটা নিয়ে শুরু হয়ে যাবে। একমাত্র মিডিয়ার তাতে মজা।

প্র: এত কিছু ঘটছে। শরদ পওয়ারকে একটা ফোন করেননি? উনি তো বরাবর আপনার ঘনিষ্ঠ।

শশাঙ্ক: নট অ্যাট অল। ফোন করে সাপোর্ট জড়ো করা। বা সাংবাদিককে খবর দেওয়া—এ সব আমি কখনও করিনি।

প্র: কিন্তু বোর্ড যে অভিযোগ করছে ইংল্যান্ড ২০১৭-র চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির জন্য বাজেটের অঙ্ক ভারতে হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের চেয়ে অনেক বেশি। অর্থাৎ আপনার পরিচালিত আইসিসি ভারতের চেয়ে ইংল্যান্ডকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

শশাঙ্ক: কী বলব বলুন তো? যে সব অঙ্ক কাগজে-টাগজে দেখছি সেগুলো ঠিকঠাক কি না কেউ খতিয়ে দেখেছে? দেখলে বুঝবে অঙ্কটা কত যুক্তি সঙ্গত। একটা কথা আমায় বলুন, ইংল্যান্ড আর ভারতের খরচা কখনও একসঙ্গে তুলনীয় হয়? ইন্ডিয়াতে টপ হোটেল আপনি বোর্ড রেটে ৫ হাজার টাকায় পেয়ে যাবেন। ইংল্যান্ডে ওটাই ৫০ পাউন্ড। ওখানে ৫০ পাউন্ডে কোনও টু স্টার হোটেলও হবে? তার পর যাতায়াতের খরচও কত বেশি। উপমহাদেশের সব ক’টা টিম এখান থেকে ইংল্যান্ড যাবে। খরচা তো এক্সট্রা হবেই। ম্যাচের সময় সেখানে বেশি। টি-টোয়েন্টি থেকে ওয়ান ডে। একটা সাড়ে তিন ঘণ্টার ম্যাচ। একটা সাত ঘণ্টার। ভাড়া কখনও এক হতে পারে?

প্র: আপনি তো আত্মপক্ষ সমর্থনে আরও অনেক কথাই বলতে পারেন। এত চুপচাপ হয়ে আছেন কেন?

শশাঙ্ক: কারণটা বললাম তো। বিতর্কের সিরিয়াল বাধিয়ে কী লাভ?

anurag-monohar
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy