পেশাদার টেনিসে বিরল নজির গড়লেন ইয়ানিক সিনার। এমন নজির যা রজার ফেডেরার, নোভাক জোকোভিচেরও নেই। কোনও সেট না হেরে ইন্ডিয়ান ওয়েলস ওপেনের পর মায়ামি ওপেনও জিতলেন বিশ্বের ২ নম্বর টেনিস খেলোয়াড়।
একই বছরে ইন্ডিয়ান ওয়েলস এবং মায়ামি ওপেন জয়কে বিশেষ কৃতিত্ব হিসাবে ধরা হয় টেনিসে। এক বছরে দু’টি মাস্টার্স জিতলে বলা হয় ‘সানশাইন ডাবল’। এমন কৃতিত্ব বেশ কয়েক জন খেলোয়াড়ের রয়েছে। সিনারের নজির ‘সানশাইন ডাবল’ জয় নয়। ফেডেরার এবং জোকোভিচ একাধিক মরসুমে দুই মাস্টার্স জিতেছেন। তবে কোনও সেট না হেরে পর পর দু’টি মাস্টার্স এর মরসুমে জিততে পারেননি তাঁরা। ঠিক সেটাই করে দেখালেন সিনার। কোনও সেট না হেরে ইন্ডিয়ান ওয়েলস ওপেন চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন। এ বার মায়ামি ওপেনও চ্যাম্পিয়ন হলেন কোনও সেট না হেরে। ফাইনালে চেকিয়ার জিরি লেহেকাকে ৬-৪, ৬-৪ ব্যবধানে হারাতেই নজির তৈরি করেছেন সিনার।
বছরের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে প্রত্যাশামতো পারফর্ম করতে পারেননি সিনার। সেমিফাইনালে কিছুটা অপ্রত্যাশিত ভাবে জোকোভিচের কাছে হেরে যান। বছরটা নিখুঁত ভাবে শুরু করতে না পারলেও দ্রুত সেরা ফর্মে ফিরেছেন ইটালির টেনিসতারকা। একের পর এক খেতাবই শুধু জিতছেন, তা নয়, সেটও হাতছাড়া করছেন না। মায়ামি ওপেনের ফাইনালের পর তিনি টানা ৩৪টি সেট অপরাজিত রইলেন।
আরও পড়ুন:
শেষ বার ২০১৭ সালে ফেডেরার ‘সানশাইন ডাবল’ জিতেছিলেন। তার ন’বছর পর সিনার এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন। ২০০৫ এবং ২০০৬ সালেও এই কৃতিত্ব দেখিয়েছিলেন তিনি। জোকোভিচ ‘সানশাইন ডাবল’ জিতেছেন ২০১১, ২০১৪, ২০১৫ এবং ২০১৬ সালে। জোকারই একমাত্র টানা তিন বছর ‘সানশাইন ডাবল’ জিতেছেন। সবচেয়ে বেশি বার জেতার কৃতিত্বও তাঁর। এ ছাড়া ১৯৯১ সালে জিম কুরিয়র, ১৯৯২ সালে মাইকেল চ্যাং, ১৯৯৪ সালে পিট সাম্প্রাস, ১৯৯৮ সালে মার্সেলো রিয়োস এবং ২০০১ সালে আন্দ্রে আগাসি ‘সানশাইন ডাবল’ জেতেন।