বাঁ-হাতি পাক পেস বোলিং বনাম ভারতীয় ব্যাটিং
আফ্রিদির দলে তিন জন বাঁ-হাতি পেসার— ওয়াহাব রিয়াজ, মহম্মদ ইরফান, মহম্মহ আমের। সবাই ১৪৫-এর উপরে বল করে যেমন, তেমনই ভারতীয়রা ভেতরে আসা জোরে বল খেলতে অস্বস্তিতে পড়ে। এটা বিরাটকেও মাথায় রেখে লিখছি। পাকিস্তান এই তিন বোলারের ১২ ওভার ভারতের গোটা ইনিংসে ছড়িয়ে দিয়ে ব্যবহার করবে। রোহিতদের সারাক্ষণ চাপে রাখতে।
অশ্বিনের বোলিং
ওর স্পিনে এখন এত বৈচিত্র যে ওই চার ওভারেই ভারত ম্যাচ পকেটে পুরে নিতে পারে। এমনিতেই পাক ব্যাটসম্যানরা টি-টোয়েন্টি হুড়োতাড়া করে খেলে। অশ্বিন তাই নারিন হয়ে উঠে একাই চার-পাঁচটা উইকেট তুলে নিলে অবাক হব না।
বিরাট-ফ্যাক্টর
পাকিস্তান ম্যাচে বিশেষ কিছু দেখা যায় কোহলির ব্যাটিংয়ে। অনেকটা পাক ম্যাচে সচিনের মতো। বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিরাটের রেকর্ড অসাধারণ। টি-টোয়েন্টিতেও দু’দলের যুদ্ধে হায়েস্ট ইনিংস ওরই।
শের-ই-বাংলার পিচ
উইকেট গ্রিনটপ না হলেই অবাক হব। ধোনি টস জিতলে আগে ব্যাট করে বড় রানের ইনিংস পাকিস্তানের ঘাড়ে চাপিয়ে দেয় কি না দেখার। আফ্রিদির দলে একজনও বিশ্বমানের ব্যাটসম্যান নেই। বড় রানের চাপে সবুজ পিচে পাক ব্যাটিং ভাঙতে মনে হলে নেহরা-বুমরাহরাই যথেষ্ট।
ধোনির ক্যাপ্টেন্সি
হার্দিক বা যুবরাজকে ব্যাটিং অর্ডারে উপরে ঠেলে দিতে পারে, পাক পেসারদের পাল্টা দিতে। তবে আমেরকে দু’টোর বেশি ম্যাচে খেলার অভি়জ্ঞতা নেই যুবরাজ, রায়না, ধোনি, জাডেজা, বিরাটেরও। তাই ওর হাত থেকে ভারতীয় ব্যাটিং বাঁচানোর কী গেমপ্ল্যান ধোনি করে, দেখার।