৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। তার আগে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। বৃহস্পতিবার ছিল আফগান বোর্ডের বার্ষিক সাধারণ সভা। সেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, এ বার থেকে চাইলেই সব দেশের টি-টোয়েন্টি লিগে খেলতে পারবেন না রশিদ খানেরা। সর্বাধিক তিনটি দেশের লিগে তাঁদের খেলার অনুমতি দেওয়া হবে।
২০২৬ সালের অক্টোবর মাস থেকে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে শুরু হবে আফগানিস্তানের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি লিগ। পাঁচ দলের সেই প্রতিযোগিতায় খেলতেই হবে আফগানিস্তানের ক্রিকেটারদের। তার বাইরে আরও তিনটি লিগে খেলতে পারবেন তাঁরা।
দেশের হয়ে খেলার সময় যাতে ক্রিকেটারেরা তরতাজা থাকেন, তার জন্য এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। একটি বিবৃতিতে তারা বলেছে, “ক্রিকেটারদের শারীরিক ও মানসিক ধকল সামলাতে বোর্ড নতুন নীতি নিয়েছে। আফগানিস্তান প্রিমিয়ার লিগ ছাড়া বছরে আরও তিনটি লিগে আফগান ক্রিকেটারদের খেলার অনুমতি দেওয়া হবে। দেশের হয়ে খেলার সময় যাতে ক্রিকেটারদের সমস্যা না হয়, তার জন্য এই সিদ্ধান্ত।”
আরও পড়ুন:
রশিদ ছাড়াও নুর আহমেদ, মুজিব উর রহমান, মহম্মদ নবি, আল্লা গজ়নফর, রহমানুল্লা গুরবাজ়ের মতো ক্রিকেটার বিভিন্ন দেশের লিগে খেলেন। রশিদ টি-টোয়েন্টিতে বিশ্বের সর্বাধিক উইকেটের মালিক। আইপিএলে গুজরাত টাইটান্স ছাড়াও দক্ষিণ আফ্রিকা, ইন্টারন্যাশনাল টি২০, মেজর লিগ ক্রিকেটে খেলেন তিনি। কিন্তু এ বার থেকে মাত্র তিনটি লিগে খেলতে পারবেন তিনি। ফলে আর্থিক ক্ষতি হবে রশিদ-সহ আফগান ক্রিকেটারদের।
সামনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচের সিরিজ় খেলবে আফগানিস্তান। বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসাবে আমিরশাহিতে এই সিরিজ় খেলবে তারা। তার পর বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে আসবেন রশিদেরা। তার আগেই তাঁদের বিদেশের লিগে খেলায় কড়াকড়ি করল আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড।