Advertisement
E-Paper

মাসিক আয় ১০ হাজার, সেই অ্যাপক্যাব চালকের অ্যাকাউন্টে ৩০০ কোটি টাকার লেনদেন! তদন্তে নেমে ৫৫০ কোটির হদিস পেল ইডি

সূত্রের খবর, ওই অ্যাপক্যাব চালকের নাম প্রদীপ ওড়ে। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, কালোটাকা লেনদেনের জন্য প্রতারকেরা প্রদীপের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টকে ‘মিউল অ্যাকাউন্ট’ হিসাবে ব্যবহার করেছেন।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৪ মার্চ ২০২৬ ১৩:১১
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

তাঁর মাসিক আয় খুব বেশি হলে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা। কিন্তু সেই অ্যাপক্যাব চালকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৩০০ কোটি টাকার লেনেদেনের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই হুলস্থুল পড়ে যায় গুজরাতের অহমদাবাদে। আর সেই সূত্র ধরেই ৫৫০ কোটি টাকা প্রতারণার হদিস পেল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।

সূত্রের খবর, ওই অ্যাপক্যাব চালকের নাম প্রদীপ ওড়ে। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, কালোটাকা লেনদেনের জন্য প্রতারকেরা প্রদীপের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টকে ‘মিউল অ্যাকাউন্ট’ হিসাবে ব্যবহার করেছেন। তদন্তকারী সূত্রের খবর, ক্যাবচালকের অ্যাকাউন্টকে ব্যবহার করে ক্রিকেট গড়াপেটার টাকা অন্যত্র পাঠানো হয়েছে। এ প্রসঙ্গে অমহদাবাদের অপরাধদমন শাখায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে ইডি। প্রদীপকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদও করা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।

তদন্তকারী সূত্রে খবর, প্রদীপকে জিজ্ঞাসাবাদ করে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, ২৫ হাজার বিনিময়ে কিরণ পারমার নামে এক পরিচিতকে নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ‘ভাড়া’ দিয়েছিলেন প্রদীপ। শুধু তা-ই নয়, লেনদেন জন্য যে চেক ব্যবহার করা হয়েছে, তাতে স্বাক্ষর করতে প্রতি চেকপিছু প্রদীপকে ৪০০ টাকা করে দেওয়া হয়েছে। প্রদীপের নামে একটি সংস্থাও খোলা হয়। সেই সূত্র ধরে ইডি আরও দু’টি ভুয়ো সংস্থার হদিস পায়। ২০২৪ সালে এই সংস্থাগুলি নথিভুক্ত করানো হয়েছিল। সন্দেহ, টাকা পাচারের জন্য এই সংস্থাগুলিকে ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। প্রাথমিক ভাবে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, এই দুই সংস্থার অ্যাকাউন্টে ৫৫০ কোটি টাকা জমা পড়েছে। তার মধ্যে ৮০ কোটি ৫০ লক্ষ, ৫২ কোটি ১১ লক্ষ এবং ২২ কোটি ৮৬ লক্ষ টাকা তিনটি আলাদা সংস্থার অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। কারা এই চক্রের সঙ্গে জড়িত, কোথায় কোথায় এই টাকা পাঠানো হয়েছে, এখন সেই তথ্য খুঁজে বার করার চেষ্টা চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি।

মিউল অ্যাকাউন্ট কী?

মিউল অ্যাকাউন্ট হল এমন একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট যা অপরাধীরা অবৈধ অর্থ লেনদেনে (যেমন: আর্থিক তছরুপ, প্রতারণা, চুরি করা টাকা স্থানান্তর) ব্যবহার করে। এই ক্ষেত্রে অ্যাকাউন্টধারী ব্যক্তি সচেতন ভাবে বা অজান্তেই অন্যের অপরাধমূলক অর্থ নিজের অ্যাকাউন্টে গ্রহণ করেন এবং পরে অন্যত্র পাঠিয়ে দেন। সহজ কথায়, এটি হল অবৈধ অর্থ লেনদেনে ব্যবহৃত মধ্যবর্তী ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট।

Scam
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy