আবার খেলা ছেড়ে উঠে গেলেন ম্যাগনাস কার্লসেন। সিংকুইফিল্ড কাপের পরে জুলিয়াস বায়ের জেনারেশন কাপে। এ বারেও সেই হান্স নিমানের বিরুদ্ধে প্রতিযোগিতা ছেড়ে দেন দাবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। একই প্রতিযোগীর বিরুদ্ধে পর পর দু’বার মাঝপথে খেলা ছাড়ায় আবার দাবায় জোচ্চুরির অভিযোগ উঠে আসছে। তবে কার্লসেনের এই সিদ্ধান্তে অবাক হয়েছেন ভারতের সর্বকনিষ্ঠ গ্র্যান্ডমাস্টার আর প্রজ্ঞানন্দ। সে বুঝতে পারছে না কেন কার্লসেন আবার এমন করলেন।
অনলাইন প্রতিযোগিতার শুরুটা করেছিলেন দুই দাবাড়ু। নিমান প্রথম চাল দেওয়ার পরে কার্লসেনও প্রথম চাল দেন। তার পরে নিমান দ্বিতীয় চাল দেওয়ার পরে খেলা ছেড়ে উঠে যান পাঁচ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। তাঁর কম্পিউটারের স্ক্রিনও বন্ধ করে দেন তিনি। আয়োজকরা এই ঘটনায় অবাক হয়ে যান। প্রথমে তাঁরা বুঝে উঠতে পারেননি কী হয়েছে। কার্লসেন উঠে যাওয়ার কয়েক সেকেন্ড পরে নিমানও খেলা ছেড়ে উঠে যান।
আরও পড়ুন:
Another shocker as @MagnusCarlsen simply resigns on move 2 vs. @HansMokeNiemann! https://t.co/2fpx8lplTI#ChessChamps #JuliusBaerGenerationCup pic.twitter.com/5PO7kdZFOZ
— chess24.com (@chess24com) September 19, 2022
এই প্রসঙ্গে প্রজ্ঞানন্দ বলেছেন, ‘‘আমি ওঁর সিদ্ধান্ত দেখে অবাক হয়েছি। এটা অবশ্যই ওঁর নিজের সিদ্ধান্ত। এই ব্যাপারে আমার কিছু বলা উচিত নয়।’’ উল্লেখ্য, গত কয়েক মাসে দাবার বিশ্বচ্যাম্পিয়নকে তিন বার হারিয়েছে প্রজ্ঞানন্দ।
এর আগে সিংকুইফিল্ড কাপে প্রতিযোগিতা ছেড়ে বেরিয়ে গিয়ে কার্লসেন টুইট করে লিখেছিলেন, ‘প্রতিযোগিতা ছেড়ে দিলাম। সেন্ট লুইস দাবা ক্লাবে খেলতে খুব ভাল লাগল। আশা করি ভবিষ্যতে আবার খেলব।’ সেই সঙ্গে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দাবাড়ু। সেই ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে চেলসির প্রাক্তন কোচ হোসে মরিনহো বলছেন, ‘‘মুখ খুললে বিপদে পড়ে যাব।’’
I've withdrawn from the tournament. I've always enjoyed playing in the @STLChessClub, and hope to be back in the future https://t.co/YFSpl8er3u
— Magnus Carlsen (@MagnusCarlsen) September 5, 2022
সেপ্টেম্বর মাসে আমেরিকার দাবাড়ু নিমানের কাছে দু’বার হারেন কার্লসেন। তিনি নিজে জোচ্চুরি নিয়ে কোনও অভিযোগ করেননি। কিন্তু অনেকে মনে করছেন যে, কার্লসেন এই ভাবে কোনও কারণ ছাড়া প্রতিযোগিতা ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার মানুষ নন। তাঁদের মত, কার্লসেন নিশ্চয়ই মনে করছেন তাঁর বিরুদ্ধে জেতার জন্য অসৎ উপায় নেওয়া হয়েছে। কার্লসেনের টুইটেও তার কিছুটা ইঙ্গিত রয়েছে।