টেনিসে ডোপ পরীক্ষা নিয়ে সরব সেরিনা উইলিয়ামস। তাঁর কাছে বিষয়টি অযৌক্তিক। উইম্বলডনে প্রত্যাবর্তনের আগে এই ব্যবস্থাকে অপেশাদার বলেও কটাক্ষ করেছেন ২৩টি গ্র্যান্ড স্ল্যামের মালকিন।
৪৪ বছরের সেরিনা আবার পেশাদার টেনিসে ফিরতে চাওয়ায় তাঁকে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হচ্ছে। তাঁকে ডোপ পরীক্ষাও দিতে হয়েছে। এই অভিজ্ঞতা নিয়ে সেরিনা বলেছেন, ‘‘বিষয়টা খুব কষ্টকর। ক্লান্তিকর। এখন কিছু নিয়ম বদলে গিয়েছে। সেগুলো জানতাম না। মনে হচ্ছে, নির্দিষ্ট সময়ের বাইরে কোনও পরীক্ষা না দিলেও সেটা বাদ হিসাবেই ধরা হবে। এমন হলে তো বাচ্চাদের আনতে যেতেও পারব না।’’ সাত বারের উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন আরও বলেছেন, ‘‘এটা একদম অপেশাদার একটা ব্যবস্থা। আমি এগুলো ঘৃণা করি। বলছি না, ডোপ পরীক্ষা অপ্রয়োজনীয়। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের বাইরে কোথাও যেতে চাইলে যেতে দেওয়া উচিত। সেটাকে পরীক্ষা না দেওয়া হিসাবে বিবেচনা করা উচিত নয়। নির্দিষ্ট সময়ের বাইরে কেন কোথাও যেতে পারব না!’’ ২০২২ সালের পর আবার ঘাসের কোর্টে খেলবেন সেরিনা। প্রথম ম্যাচে তাঁর প্রতিপক্ষ মায়া জায়ান্ট।
সেরিনা জানিয়েছেন, ডোপ পরীক্ষার নতুন নিয়মের জন্য টেনিসে ফেরা নিয়ে দ্বিধায় ছিলেন। তিনি বলেছেন, ‘‘এ ভাবে নির্দিষ্ট সময়ের বাইরে ডোপ পরীক্ষা দেওয়া খুবই সমস্যার। আমি অত্যন্ত ব্যস্ত। আমার দুই সন্তান রয়েছে। নিজে একটি সংস্থা চালাই। কাজের জন্য নানা দেশ ঘুরতে হয়। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন শহরে থাকতে হয়। নির্দিষ্ট সময়ের বাইরে বললে সব সময় পরীক্ষা দেওয়া সম্ভব নয়।’’
টেনিসে ডোপ পরীক্ষার নতুন নিয়মে বিরক্ত সেরিনা উইলিয়ামস। পরীক্ষক নির্দিষ্ট সময় শেষ হওয়ার এক ঘণ্টা পর পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়কে পরীক্ষা দিতে বলতে পারেন। সেই সময় তাঁকে না পাওয়া গেলে স্ট্রাইক দেওয়া হয়। তিন বার স্ট্রাইক পড়লে ডোপ পরীক্ষায় ব্যর্থ হিসাবে গণ্য় হয়। টেনিসে ডোপ পরীক্ষা নিয়ে হইচই শুরু হয়েছে সম্প্রতি। প্রাক্তন উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন মার্কেটা ভন্দ্রোসোভা পরীক্ষা না দেওয়ায় চার বছরের জন্য নিলম্বিত (সাসপেন্ড) হয়েছেন।