নাবালিকা পরিচারিকাকে নির্যাতনের অভিযোগে বাংলাদেশের ফাস্ট বোলার শাহদাত হোসেন ও তাঁর স্ত্রী নৃত্য হাজতবাসের মুখে। মঙ্গলবার তাঁদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জ গঠন করেছে পুলিশ।
১১ বছরের বালিকাকে বাড়ির পরিচারিকা হিসেবে রাখা ও প্রায় বছর খানেক ধরে শারীরিক-মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে শাহদাত ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে। যে অভিযোগ প্রমাণিত হলে ১৪ বছরের জেল হতে পারে তাঁদের। পুলিশ জানিয়েছে, শাহদাত ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে সেটা আমাদের প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণিত। অক্টোবরে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন শাহদাত। পরে জামিন পান। বাংলাদেশ বোর্ড তাঁকে সমস্ত রকমের ক্রিকেট থেকে সাসপেন্ড করেছে। একটি টিভি চ্যানেলকে মেয়েটি বলেছে, ‘‘লাঠি, রান্নার জিনিসপত্র দিয়ে আমায় মারত। সঙ্গে চড়, ঘুসি। আঁচড়েও দিত।’’ গত সেপ্টেম্বরে শাহদাতের বাড়ি থেকে কোনও রকমে পালিয়ে যায় ওই কিশোরী। তাকে উদ্ধার করার পর দেখা যায় পা ভাঙা, শরীরে আরও চোট-আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পুলিশ এর পর শাহদাতের বাড়িতে তল্লাশি চালায়। কিন্তু ওই ক্রিকেটার ও তাঁর স্ত্রীকে তখন খুঁজে পাওয়া যায়নি। ক’দিন পর তাঁর স্ত্রীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এর পর আত্মসমর্পণ করেন শাহদাত। তবে জাতীয় দলের হয়ে ৩৮টি টেস্ট ও ৫১টি ওয়ান ডে খেলা শাহদাত সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।