অনেকে বিশ্বাস করেন যে লড়ে জেতা টিম খুব শক্তিশালী হয়, তাদের হারানো যায় না। ক্লোজ ম্যাচ জেতার ছন্দটা তারা পরের ম্যাচেও নিয়ে যায়। সেই বিচারে গুজরাত বেশি উত্তেজক ম্যাচ জিতে আমাদের বিরুদ্ধে নামছে। কোটলায় ওদের দুর্ধর্ষ জয়ের তুলনায় হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে আমাদের ডাকওয়ার্থ-লুইস নিয়মে জেতাটা অনেকের কাছে পাত্তা পাবে না। কিন্তু টিমের উপর তার বিশাল প্রভাব পড়েছে। আমি জয়ের ছন্দে বিশ্বাস করি না। তার চেয়ে আত্মবিশ্বাস আর নিজের উপর আস্থা আমার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ওই জয়টা যেগুলো আমাদের দিয়েছে।
টি-টোয়েন্টিতে নির্দিষ্ট সময় কয়েক জন ভাল খেললেই হয়। গুজরাতের বিরুদ্ধে যেটা করল ক্রিস মরিস। তার মানে এই নয় যে টিমের বাকিরা ব্যর্থ। কিন্তু যে কোনও একজনের পক্ষে যে কোনও সময় ম্যাচটা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। হায়দরাবাদ ম্যাচে আমাদের সঙ্গেও এটা হয়েছিল। চারটে টানা হারের পর কথা হচ্ছিল, লিগ টেবলে আমরা জায়গা ধরে রাখতে পারব কি না। আর তখনই অশোক দিন্দা ম্যাচটা নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিল। আমাদের ফিল্ডিংও সে দিন ভাল হয়েছে।
যখন পরপর হারছিলাম, টিমকে বিশেষ কিছু বলিনি। শুধু বলেছিলাম নিজেদের উপর আর টিমের উপর আস্থা রাখতে। একটা জয়ে সব কিছু সহজ ভাবে নেওয়ার অধিকার আমরা পাইনি। আরও দু’একটা ম্যাচ জিতলে তবে ভাল জায়গায় যাব।
গুজরাতের শুরুটা দারুণ হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য হবে ওদের রাস্তায় কয়েকটা হার্ডল তৈরি করা। ওদের মতো আমরাও ‘নতুন’ টিম। আশা করব আমরাও ওদের মতো জয়ের দৌড়ে ঢুকতে পারব। সেটা না হওয়ার কোনও কারণ দেখছি না। খাতায়-কলমে সব টিমই দুর্দান্ত। কিন্তু একটা নির্দিষ্ট দিনের পারফরম্যান্স তাদের আলাদা করে দেয়। হয়তো আমাদের সময়ও এসে গিয়েছে।