লোঢা কমিশনের সঙ্গে বোর্ডের সরকারি বৈঠক আগামী মঙ্গলবারের নয়াদিল্লিতে। তার আগে রবিবার যে আরও এক নাটক অনুষ্ঠিত হতে চলেছে, তার পূর্বাভাস চব্বিশ ঘণ্টা আগে পাওয়া গেল।
বোর্ডের তরফ থেকে এক বিবৃতিতে শনিবার বলা হয়, যে তাদের আইনি সেনাপতি মার্কণ্ডেয় কাটজু একটা অন্তর্বর্তিকালীন রিপোর্ট তৈরি করে ফেলেছেন। লোঢা কমিশনের সুপারিশের উপর ভিত্তি করে। রবিবার আনুষ্ঠানিক ভাবে যা ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট অনুরাগ ঠাকুরের হাতে তুলে দেওয়া হবে।
বলাবলি চলছে, মঙ্গলবার এমনিই লোঢা কমিশনের সঙ্গে বৈঠক বোর্ডের। তার আগে এই রিপোর্টের অর্থ কী? এটা তো মঙ্গলবারই দেওয়া যেত। এটাও বলা হচ্ছে যে, এমন আনুষ্ঠানিক ভাবে বোর্ড প্রেসিডেন্টের হাতে রিপোর্ট তুলে দেওয়ার মানে ব্যাপারটাকে জনসমক্ষে আনা। রিপোর্ট নিয়ে একটা মতও পাওয়া যাচ্ছে। যে, এটা আদতে আদতে বোর্ড প্রেসিডেন্ট ও সচিবের জন্য রেডি রেফারেন্সও হতে পারে। যা দেখে নিয়ে তাঁরা লোঢা কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে ঢুকতে পারবেন।
রাজেন্দ্র মাল লোঢার সঙ্গে ভারতীয় বোর্ডের বৈঠকে যদি শেষ পর্যন্ত কাটজুও থাকেন, তা হলে বৈঠকের পরিণতি কী হবে, তা নিয়েও উৎসুক অনেকে। একেই অতীতে কাটজুর লোঢা-বিরোধিতার ইতিহাস আছে। তা ছাড়া কাটজু সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি। আর আর্টিকল ১২৪(৭) অনুযায়ী (আর্টিকল ১৪৮ নয়) সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি কোনও কমিটির সামনে হাজির হতে পারেন না।