দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় খাবার ইডলি-দোসা এখন অনেক বঙ্গবাসীর প্রাতরাশের মেনু। চাল এবং ডাল বেটে, মজিয়ে তৈরি খাবারটি স্বাস্থ্যবান্ধব বলেই সকলে জানেন। কিন্তু সেই খাবারই খেতে বারণ করছেন বলিউড অভিনেত্রী তমান্না ভাটিয়ার প্রশিক্ষক! কিন্ত কেন? বলিউড একাধিক তারকাকে ফিটনেস প্রশিক্ষক দিয়েছেন সিদ্ধার্থ সিংহ। তিনি সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেছেন, যেখানে লেখা ‘‘প্রাতরাশে দোসা খাওয়া বন্ধ করুন।’’ তার কারণও ব্যাখ্যা করেছেন সিদ্ধার্থ। তাঁর কথায়, দোসা স্বাস্থ্যবান্ধব ঠিকই, কিন্তু সকালে একটা দোসা খাওয়া মানেই এক ঘণ্টায় তা হজম হয়ে যাওয়া। তার পর দিনভর খিদে পাবে। বাড়তি খেয়ে ফেলার প্রবণতাও তৈরি হবে। তার ফল, ওজন বৃদ্ধি।
আরও পড়ুন:
পেট ভরা থাকলে কোনও কিছুই খাওয়ার ইচ্ছা থাকে না। কিন্তু পেট খালি থাকলেই এটা-সেটা খাওয়ার ইচ্ছা বাড়ে। তেমনটা হলে ওজন কমানোর প্রক্রিয়াও বাধাপ্রাপ্ত হতে পারে। এমনিতে দোসা স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল। সহজপাচ্যও। চালের সঙ্গে ডাল থাকে বলে কিছুটা প্রোটিনও মেলে। তা ছাড়া, সম্বর দিয়ে, নারকেলের চাটনি দিয়ে খেলে প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, দুই-ই মেলে। তবে সিদ্ধার্থের পরামর্শ, পেট ভরাতে দোসায় কিছুটা বাড়তি প্রোটিন যোগ করার। ওজন কমানোই লক্ষ্য হলে প্রোটিন জাতীয় খাবার পাতে রাখা জরুরি। কারণ, প্রোটিন পরিপাকে সময় বেশি লাগে। ফলে পেট অনেকক্ষণ ভরা থাকে, তা ছাড়া, রক্তে শর্করার মাত্রা আচমকা বেড়ে যায় না।
সেই কারণেই তারকাদের ফিটনেস ট্রেনার বলছেন দোসার পুরে বেশ কিছুটা পনিরের টুকরো যোগ করতে। সাধারণত মশলা দোসায়, আলুর পুর যোগ করা হয়। সেই পুরটিকেও আরও একটু স্বাস্থ্যকর করে তোলা যায়, পুর বদলে। শুধু পনির নয়, পুর হিসাবে জুড়তে পারেন স্যতে করা বা মশলায় হালকা নেড়েচেড়ে নেওয়া সেদ্ধ সয়াবিনও। তালিকায় রাখা যায় টোফুও। আলু কম দিয়ে পনির, রকমারি সব্জিও যোগ করা যায় দোসার পুরে।
আসল কথা হল, ফিটনেস প্রশিক্ষক বলছেন, সকালের খাবারটি যেন পেট ভরা হয়, না হলে ঘন ঘন খিদের ধাক্কা সামলানো কঠিন হতে পারে।