বিপক্ষ শিবির তাঁর স্ট্র্যাটেজি জানতে পেরে যাবে, এই আশঙ্কায় পুণেতে কোনও প্র্যাকটিসই না করে সরাসরি ম্যাচে নেমে পড়বেন আন্তোনিও হাবাস!
শুক্রবারই সকালে বিধাননগর স্পোর্টস কমপ্লেক্সের মাঠে পুণে সিটি ম্যাচের জন্য চূড়ান্ত প্রস্তুতি সেরে দুপুরে বিমান ধরবেন ইয়ান হিউম-বোরহা ফার্নান্ডেজরা। যে ফ্লাইটের টিকিট তাদের জন্য কাটা হয়েছে তাতে সন্ধ্যের আগে আটলেটিকো দে কলকাতা দল পৌঁছবে না পুণেতে। শুধু তাই নয়, শনিবারের ম্যাচকে এতটাই গুরুত্ব দিচ্ছেন কলকাতার স্প্যানিশ কোচ যে, ম্যাচের আগে নির্ধারিত সাংবাদিক সম্মেলনেও থাকবেন না। দলের স্পোর্টিং ডিরেক্টর আলবার্তো মারেরো মুখোমুখি হবেন মিডিয়ার। আলবার্তো সে জন্য টিমের আরও দুই কর্তাকে নিয়ে সকালেই চলে যাচ্ছেন পুণে। ম্যাচ কমিশনারের সভাতেও যোগ দেবেন তাঁরাই।
নিজেরা আইএসএল টু-র শীর্ষে থেকেও কেন এফসি পুণে সিটি ম্যাচকে এত গুরুত্ব দিচ্ছেন হাবাস? শহরে এ দিন বিকেলে অনুশীলনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা না বললেও টিম ম্যানেজমেন্টে তাঁর ঘনিষ্ঠদের কোচ জানিয়েছেন, এই ম্যাচটা জিততে পারলে তিনি সেমিফাইনালের দিকে অনেকটা এগিয়ে যাবেন। কারণ, পুণে রয়েছে লিগ টেবলের দু’ নম্বরে।
দেশের হয়ে প্রাক-বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়া এটিকে-র তিন ফুটবলার অর্ণব মণ্ডল, রিনো অ্যান্টো এবং নাতো বৃহস্পতিবার সকালেই এসে পৌঁছন টিম হোটেলে। বিকেলে অনুশীলনও করেন। তবে তিনের কাউকেই শনিবার ম্যাচে টিমে রাখবেন কি না, তা বুঝতে দেননি আপাদমস্তক পেশাদার কোচ হাবাস। তিন জনকেই কেবল জিজ্ঞেস করে নিয়েছেন, দেশের হয়ে খেলে তাঁরা ক্লান্ত কি না? কোনও চোট আছে কি না? পরে অর্ণব এ দিন বললেন, ‘‘একটু তো ক্লান্তি আছেই। পরপর ম্যাচ। তার উপর যাতায়াতের ধকল। তবে কোচ যদি চান, দলের প্রয়োজনে খেলতে কোনও সমস্যা নেই।’’ এ দিন ভালদো আর জুয়েল রাজা ছাড়া বাকি সবাই অনুশীলন করেছেন। কেরল ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে যে টিম খেলেছিল, সেটা নিয়েই মূলত সিচুয়েশন প্র্যাকটিস করিয়েছেন স্প্যানিশ কোচ। কোনও টিম মিটিং করেননি। জানা গেল, বুধবারের ডিনারে হাবাস ছিলেন দারুণ মুডে। বারবার তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘‘পুণেতে জিততে পারলে এই ডিনারের মতোই আনন্দ পাবে।’’