অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেলেন কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী। মুর্শিদাবাদের কান্দি থেকে প্রচার সেরে ফেরার পথে তাঁর গাড়ির কনভয়ে আচমকাই একটি ট্রাক ধাক্কা মারে। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন দলের মিডিয়া বিভাগের চেয়ারম্যান কেতন জয়সওয়াল। সূত্রের খবর, কান্দি থেকে ফেরার সময় হঠাৎ একটি দ্রুতগতির ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অধীরের গাড়ির দিকে এগিয়ে আসে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে চালক দ্রুত গাড়ির স্টিয়ারিং বাঁ দিকে ঘুরিয়ে দেন। ফলে অল্পের জন্য রক্ষা পায় অধীরের গাড়ি। তবে ট্রাকটি সোজা গিয়ে সামনে থাকা এসকর্ট গাড়ির পিছনে সজোরে ধাক্কা মারে।
দুর্ঘটনায় এসকর্ট গাড়িটি মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং তাতেই আহত হন কেতন জয়সওয়াল। তিনি ওই গাড়িতেই ছিলেন। সঙ্গে সঙ্গে তাঁর প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয় বলে জানা গিয়েছে। মুর্শিদাবাদ জেলা কংগ্রেসের অভিযোগ, ঘটনার পর কান্দি থানায় ফোন করা হলেও দীর্ঘ ক্ষণ কোনও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়নি। এই নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকেরা। তাঁদের দাবি, নির্বাচনী সময়ে এমন ঘটনার পরও পুলিশের দেরিতে পৌঁছোনো উদ্বেগজনক। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেলেও, নিরাপত্তা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহলে। পাঁচ বারের সাংসদ তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং কংগ্রেসের লোকসভার প্রাক্তন দলনেতার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশাসন কী ভাবে এমন উদাসীন থাকতে পারে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অধীর অনুগামীরা।
অধীরের স্ত্রী অতসী চৌধুরী বলেন, ‘‘দুর্ঘটনায় অধীরবাবু আঘাত পাননি। যে গাড়িতে আঘাত লেগেছে, তাতে সিআরপিএফের নিরাপত্তারক্ষীরা ছিলেন। যিনি আহত হয়েছেন, তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। রাতেই হয়তো তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘অধীরবাবু অক্ষত রয়েছেন। তিনি তাঁর দুর্ঘটনার পরিস্থিতি সামাল দিয়েই নিজের পরবর্তী রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগ দিতে চলে গিয়েছেন।’’ এআইসিসি সদস্য নিলয় প্রামাণিক বলেন, ‘‘অধীরবাবুর উপর এর আগেও হামলা হয়েছে। এই ঘটনায় তিনি স্তম্ভিত। আমরা বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে জানাচ্ছি।’’
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
-
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আরএন রবি, ইস্তফা না-দিলেও মমতা এখন ‘প্রাক্তন’ মুখ্যমন্ত্রী! রাজ্য কার?
-
বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! রাজ্যে প্রচারে এসে দিয়ে গিয়েছিলেন কথা
-
ভোট-পরবর্তী গোলমালে রুজু ২০০ এফআইআর! কেউ কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অশান্তি পাকাতে চাইছেন: ডিজি সিদ্ধনাথ
-
‘কমিশন ১০টি গণনাকেন্দ্রের ছয় ঘণ্টার ফুটেজ দিক, দেখাক কিছু হয়নি, আমি মেনে নেব এটাই জনাদেশ’! চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
-
৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেল বিজেপি! ৮০টি আসনে জয়ী তৃণমূল, তাদের ভোটের হার কত