চোটের কারণে সোমবার পঞ্জাব ম্যাচে খেলতে পারেননি বরুণ চক্রবর্তী। অসুস্থ ছিলেন সুনীল নারাইন। দুই ক্রিকেটারকে বৃহস্পতিবার লখনউ ম্যাচে কি পাওয়া যাবে? তা জানিয়ে দিল কেকেআর। এ দিকে, পেসার কার্তিক ত্যাগী জানালেন, আগের ম্যাচে এক পয়েন্ট পেয়ে আত্মবিশ্বাসী দল।
এ দিন সাংবাদিক বৈঠকে কেকেআরের এক মুখপাত্র বলেন, “সুনীল নারাইনের কুঁচকিতে ব্যথা ছিল। তাই আগের ম্যাচে খেলতে পারেনি। এখন সেরে উঠেছে। সম্পূর্ণ সুস্থ। গত কাল এবং আজ অনুশীলন করেছে। বরুণের আঙুলে চোট রয়েছে। ওর সম্পর্কে পরে জানা যাবে।”
চোট এ বার ভোগাচ্ছে কলকাতাকে। হর্ষিত রানা, মাথিশা পাথিরানা না থাকায় পেস বোলিং বিভাগ দুর্বল। তাঁর জায়গায় খেলছেন কার্তিক। তিনি বললেন, “আমরা ভেবেই রেখেছিলাম যে আগের ম্যাচটা জিততেই হবে। দলের সকলে ক্ষুধার্ত। আমাদের সব পরিকল্পনা হয়ে গিয়েছে। আশা করি ম্যাচের ফলাফল এ বার আমাদের পক্ষে যাবে।”
গত কয়েক বছরে মাঠের চেয়ে ফিজিয়োর টেবিলেই বেশি সময় কাটিয়েছেন কার্তিক। বহু বার চোট পেয়েছেন। বোলিংয়ের অ্যাকশন বদলে আবার মাঠে ফিরেছেন। তাঁর কথায়, “চোট নিয়ে সমস্যা হচ্ছিল। পায়ের একটা হাড়ের সমস্যা কিছুতেই মিটছিল না। দৌড়, রান-আপ ছোট করা, দৌড়ের ভঙ্গিমা বদল— অনেক পরিবর্তন এনেছি।”
কার্তিকের সংযোজন, “রান-আপ বদলানো আমার হাত এবং পায়ের নড়াচড়াও বদলে গিয়েছিল। আগের মতো অ্যাকশনে বল করতে পারছিলাম না। তাই যেটায় সুবিধা মনে হয়েছে সেটাই করেছি।”
আরও পড়ুন:
কার্তিক আগেই জানতেন যে দলের মধ্যে চোট-আঘাতের সমস্যা রয়েছে। তাই কোন ভূমিকা তাঁকে নিতে হবে সেটা আগেই বলে দেওয়া হয়েছিল দল পরিচালন সমিতির তরফে। কার্তিকের কথায়, “আমরা জানতাম দলে দুটো-তিনটে চোট রয়েছে। আমরা দীর্ঘ দিন মুম্বইয়ে শিবিরে করেছি। প্রথম একাদশ নিয়ে পরিকল্পনা করেছি। কাজটা সহজ হয়েছে কারণ দলের প্রত্যেকেই নিজেদের ভূমিকার ব্যাপারে জানত। চোট তো থাকবেই। কিন্তু সেটা সামলাতে জানতে হবে।”