Advertisement
E-Paper

সব ফুটবল ম্যাচে ৪৫টি করে গোল হলে ভাল লাগবে? আইপিএলে রানের বন্যা, পাটা পিচ নিয়ে ক্ষুব্ধ বোলার

গত বছরের আইপিএলে ৫২ বার ২০০-র বেশি রান উঠেছে। এ বার ১৩টি ম্যাচে ইতিমধ্যেই ১১ বার ২০০-র বেশি রান হয়েছে। আইপিএলে এটি একটা প্রথা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ক্ষুব্ধ ক্রিকেটার তাবরেজ শামসি। কী বলেছেন তিনি?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৮ এপ্রিল ২০২৬ ১৮:১২
cricket

অহমদাবাদ স্টেডিয়ামে চলছে পিচ তৈরির কাজ। — ফাইল চিত্র।

গত বছরের আইপিএলে ৫২ বার ২০০-র বেশি রান উঠেছে। এ বার ১৩টি ম্যাচে ইতিমধ্যেই ১১ বার ২০০-র বেশি রান হয়েছে। এখনও ৬১টি ম্যাচ বাকি। ফলে গত বারের রেকর্ড এ বার ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা। আইপিএলে এটি একটা প্রথা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতটাই ধারাবাহিক ভাবে ২০০-র উপর রান উঠছে যে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আলোচনা চলছিল ভারত ৩০০ পেরোবে কি না। আইপিএলের এই প্রথা নিয়ে ক্ষুব্ধ ক্রিকেটার তাবরেজ শামসি। তাঁর মতে, খেলা আরও হাড্ডাহাড্ডি হওয়া উচিত।

প্রথম ম্যাচেই হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ২০২ তাড়া করে জিতেছিল বেঙ্গালুরু। পরে কলকাতার তোলা ২২০ রান তাড়া করে জেতে মুম্বই। ব্যাট-বলের তুল্যমূল্য লড়াই এ বার দেখাই যাচ্ছে না। ২০২২-এ গড় রান রেট ছিল ৮.৫৪। পরের বছর হয় ৮.৯৯। ২০২৪ এবং ২০২৫-এ তা হয় ৯.৫৬ এবং ৯.৬২। এ বার সেটিও পেরিয়ে যেতে পারে।

প্রথম ১০ মরসুমে ৬৭ বার ২০০-র বেশি রান উঠেছিল। পরের নয় মরসুমে ২০৭ বার এমন ঘটনা দেখা গিয়েছে। অর্থাৎ তিন গুণ বেড়েছে ২০০-র বেশি রান। নয় মরসুমের মধ্যে প্রথম পাঁচ বছরে (২০১৭-২০২১) ২০০-র বেশি রান উঠেছে ৫৮ বার। ২০২২ থেকে লাফিয়ে বেড়েছে এই সংখ্যা।

Advertisement

শামসি বলেছেন, “ভারসাম্যটা এখন এতটাই ব্যাটারদের দিকে ঝুঁকে যে ক্রিকেট দেখে আর মজা লাগছে না। ভাবুন তো, বক্সিংকে যদি এক বক্সারের হাত পেছনে বাঁধা থাকত এবং অপর বক্সার দু’হাতেই ঘুষি মারতে পারত তা হলে কি সঠিক বিচার হত? লোকে কি আনন্দ পেত? ফুটবলে একটা দলে গোলকিপার থাকলেও অপর দলে যদি গোলকিপার না থাকত তা হলে কি ঠিক হত? প্রত্যেক ম্যাচে ৪৫টা গোল হলে সেটা ভাল দেখাবে? বেশির ভাগ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে বোলারদের হাত-পা যে ভাবে বাঁধা রয়েছে সেটা দেখে খুব খারাপ লাগছে। যে কোনও খেলাকেই উত্তেজিত করতে গেলে তুল্যমূল্য লড়াই দরকার।”

মুম্বইয়ের কোচ মাহেলা জয়বর্ধনে অবশ্য চিন্তার কারণ দেখছেন না। তিনি বলেছেন, “এর পিছনে অনেক কারণ আছে। অস্ট্রেলিয়া ভাল পিচে খেলা হলেও বড় বড় মাঠ হয়। সেটাই পার্থক্য গড়ে দেয়। আইপিএলে মাঠ ছোট এবং পিচও ব্যাটিং সহায়ক। তাই ছয় মারা আরও সহজ হয়ে গিয়েছে। আমার মনে হয় এখনও বোলারেরা পরিকল্পনা কাজে লাগতে পারলে সাফল্য পাবে। দক্ষতা রয়েছে অনেকেরই।”

Pitch Tabraiz Shamsi Mahela Jayawardene
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy