অসম তো বটেই, এমনকি অন্যান্য রাজ্যেও নাগরিক পঞ্জি নিয়ে বিজেপি লোকসভা ভোটের আগে যে ভাবে প্রচার চালাবে, পশ্চিমবঙ্গে সে ভাবে প্রচার না করারই কৌশল নিচ্ছেন অমিত শাহ|

সম্প্রতি কলকাতা গিয়ে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয় বলেছেন, হিন্দু এবং অ-মুসলমানদের ভয় নেই। শুধুমাত্র মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের তাড়ানো হবে| অর্থাৎ তিনি বলতে চেয়েছেন, হিন্দুরা শরণার্থী আর মুসলিম অনুপ্রবেশকারী। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া আদৌ ইতিবাচক হয়নি বলে দলেরই একাংশ জানাচ্ছে। তাই শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে তাদের আবেদন, দল যেন এ রাজ্যে ‘অপেক্ষাকৃত কম উগ্র’ লাইন নেয়।

অসমে তেমনই ‘অহম তাস’ খেললেও বিজেপিকে ত্রিপুরার কথা মাথায় রেখে ভাবতে হচ্ছে, বিষয়টি যেন বাঙালি-বিরোধী না হয়ে যায়| তা ছাড়া, পশ্চিমবঙ্গে বাঙালিদের মন জয় করা বিজেপির বড় লক্ষ্য। সে কারণে বিজেপির সর্বদলীয় সভাপতি আগামী ১১ অগস্ট কলকাতা সফরে সতর্কতা বজায় রেখেই কথা বলবেন বলে আপাতত ইঙ্গিত। হিন্দু-মুসলিম নয়, বৈধ এবং অবৈধ নাগরিকের উপর জোর দেবেন তিনি।

আরও পড়ুন: চমকে দেওয়া উত্থান সত্ত্বেও উত্তর-পূর্বে কয়েক বছরেই উজাড় জোড়াফুলের বাগান

দিন কয়েক আগেই নাগরিক পঞ্জি নিয়ে কলকাতায় আলোচনা করেছিলেন কৈলাস। সেখানে বহু প্রশ্নের সদুত্তর তিনি দিতে পারেননি। অমিত তাই সব প্রশ্নের জন্য তৈরি হয়ে আসছেন। পশ্চিমবঙ্গের কৌশল ঠিক করতে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব  কয়েক জনকে দায়িত্ব দিয়েছেন।
স্বপন দাশগুপ্ত, শিশির বাজোরিয়া, অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায়রা বার বার কলকাতা নিয়ে আলোচনায় বসেছেন| এঁদের সঙ্গে কথা বলেছেন অমিতও। আগামী শনিবার অমিতের সঙ্গে স্বপনও যাবেন কলকাতায়।