গ্রীষ্মের দাপটে অস্বস্তি অব্যাহত গোটা দক্ষিণবঙ্গ। রাস্তায় হাঁটাচলাই দায়। গায়ে হলকা লাগছে। চোখে সানগ্লাস, মাথায় ছাতা দিয়েও গরমের হাত থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যাচ্ছে না। বৈশাখের কড়া রোদে যেন ঝলসে যাচ্ছে চোখ-মুখ। তবে স্বস্তি পেতে পারেন এই অবস্থা থেকে। হতে পারে বৃষ্টি।

আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রের খবর, আর্দ্রতাজনিত কারণে অস্বস্তি থাকবে ঠিকই। তবে আজ বিকেল বা সন্ধের পর দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি হতে পারে। ফলে তাপমাত্রা খানিকটা কমতে পারে। স্বস্তির আশা করতেই পারেন রাজ্যের একাংশের মানুষ।

একে ঝলসানো রোদ, তার উপরে বাতাসে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তির কারণে নাজেহাল রাজ্যবাসী। গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাস্তা বাস-ট্যাক্সিরও দেখা নেই। মেট্রোতে চড়েও ভুগচ্ছেন  যাত্রীরা। মেট্রো রেলেও ভিড় কমার কোনও চিহ্নমাত্র নেই।

আরও পড়ুন: দেড় কোটির ঋণ, ৩৬ লক্ষের গাড়ি, ১২ লক্ষের গয়না...সম্পত্তির হিসাব দিলেন নুসরত​

সাধারণত, সর্বোচ্চ তাপমাত্রা (যদি সেটি ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি হয়) স্বাভাবিকের থেকে পাঁচ ডিগ্রি বেশি হলে তাকে তাপপ্রবাহ বলা হয়। তবে তাপপ্রবাহের সম্ভাবনা এখনই নেই। কলকাতায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রা মাত্রাছাড়া না হলেও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে আর্দ্রতার পরিমাণ ভালই। তার ফলে অস্বস্তিও ভালই মালুম হয়েছে। সেই অস্বস্তি থেকেই আজ মুক্তি পেতে পারেন রাজ্যবাসী।

আরও পড়ুন: শৃঙ্গ জয় করে ৮০০০ মিটার উপরে আশঙ্কাজনক ভাবে আটকে বাংলার দুই অভিযাত্রী​