ব্যাগ গোছানোর ঝক্কিতে অনেক সময়ে ভ্রমণের আনন্দে ভাটা পড়ে। কখনও কখনও বেরোনোর সময় মনে পড়ে, জরুরি কিন্তু সাধারণ কিছু জিনিসপত্রই ভরা হয়নি। এই আতঙ্ক কাটানোর সহজ পন্থা বাতলে দিলেন অর্জুন কপূরের বোন অংশুলা কপূর। ভ্রমণ করার সময় তিনি বিশেষ এক কৌশল মেনে চলেন। আর সে কারণে শেষ মুহূর্তের বিশৃঙ্খলা থেকে মুক্তি পান খুব সহজেই। ইনস্টাগ্রামে নিজের পাতায় ভিডিয়ো করে জানালেন নেটপ্রভাবী।
অংশুলার ব্যাগ গোছানোর টিপ্স
১. বেড়াতে যাওয়ার জন্য ব্যাগ গোছানোর আগে তিনি নিজের ফোনের ‘নোট্স অ্যাপ’-এ একটি তালিকা প্রস্তুত করেন। সেই জিনিসগুলির নাম লিখে রাখেন, যা তাঁর প্রয়োজন পড়বে। যখন যেমন মনে পড়ে, তখন তাতে যোগ করে নেন। এ ভাবেই সমস্ত জিনিস মনে রাখার চেষ্টা করেন অংশুলা। এই কাজটি সবার প্রথমে করেন তিনি।
২. তার পর একটি থলে প্রস্তুত করেন। শৌচালয়ের জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত জিনিস তাতে ভরে ফেলেন। টুথপেস্ট, ব্রাশ, সাবান, শ্যাম্পু ইত্যাদি জায়গা পায় তাতে।
ভ্রমণের ব্যাগে কী কী রাখেন অর্জুনের বোন? ছবি: সংগৃহীত।
৩. এ বার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং নতুন টিপ্স দিলেন অংশুলা। তাঁর জন্য এই পদ্ধতিটি বেশ কার্যকরী এবং উপকারী। সেটি হল, ‘ট্র্যাভেল বিন’। ভ্রমণের জন্য একটি বিশেষ বাক্স প্রস্তুত করেন অংশুলা। সেই বাক্সে শুরুতেই সমস্ত দরকারি জিনিস গুছিয়ে নেন তিনি। নিজের এবং স্বামী রোহন ঠক্করের জন্য যা যা প্রয়োজন, সে সব ওখানেই থাকে। স্যুটকেসের ভিতরে ওই অবস্থা্তেই রাখা হয়। ফলে ব্যাগ গোছানো এবং ফিরে এসে ব্যাগ থেকে জিনিসপত্র বার করার সময় খুব একটা ঝক্কি পোহাতে হয় না। শেষ মুহূর্তে আলমারি, ড্রয়ার, তাক ঘাঁটাঘাঁটিরও প্রয়োজন পড়ে না। অংশুলা যেমন সেই বাক্সে রাখেন একাধিক পোর্টেবল চার্জার, ছোট্ট হেয়ার ড্রায়ার, শৌচালয়ের জন্য গোছানো ব্যাগটি, একটি আয়না যা নিজে থেকেই আলো বদলায়, পোর্টেবল ইস্ত্রি, প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র, কফির পাতা, ইলেকট্রোলাইট, ছোট্ট ব্লুটুথ স্পিকার, ইয়ারপ্লাগ, নাকের স্প্রে, এয়ারট্যাগ, বমি ভাব কাটানোর ব্যান্ড, ভেজা টিস্যু, স্যুটকেসের তালা, ছোট্ট একটি পাখা, স্যানিটাইজ়ার, ব্যাগের ওজন মাপার যন্ত্র ইত্যাদি।
আপনি বরং ট্রেন ও বিমানের সফর অনুযায়ী, এমন ছোট ও বড় বাক্স ব্যবহার করতে পারেন। প্রয়োজন মতো বড় ব্যাগে ও ছোট ব্যাগে মিলিয়ে মিশিয়ে নিতে পারেন। তাতে সুবিধা হবে।